যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ছবি সংগৃহীত
দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে কঠিন সমীকরণ বলে বিবেচিত হচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া। শেষ পর্যন্ত সেই অসম্ভব মনে হওয়া লক্ষ্যই অর্জন করেছে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। নির্বাচনে একের পর এক রিপাবলিকান প্রার্থীর পরাজয়ে সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। মাত্র দুই বছর আগে যেসব অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প জয় পেয়েছিলেন, সেখানেও এবার মুখ থুবড়ে পড়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। এর পেছনে ট্রাম্পের ক্রমহ্রাসমান জনসমর্থন বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হাতে আসায় ডেমোক্র্যাটরা এখন ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর নজরদারির বাড়তি ক্ষমতা পাচ্ছে। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ এবং বিচার বিভাগীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রেও তাদের প্রভাব বাড়বে।
সিনেটের কার্যসূচি নির্ধারণের দায়িত্বও এখন ডেমোক্র্যাটদের হাতে। পাশাপাশি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের শুনানিতে হাজির করার সুযোগ পাবেন তারা। অর্থাৎ, আগামী দিনগুলোতে ট্রাম্প প্রশাসনকে কংগ্রেসের উচ্চকক্ষে আরও কঠিন জবাবদিহির মুখে পড়তে হতে পারে।
নির্বাচনে এই জয়ের মধ্য দিয়ে ২০২৭ সালে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা হিসেবে চাক শুমারের ফিরে আসার পথও অনেকটা পরিষ্কার হয়েছে। ফেডারেল সরকারের ব্যয় বরাদ্দসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে কঠোর দর-কষাকষিতে যেতে পারবেন তিনি।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোয় ট্রাম্পের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা এবং ফেডারেল আদালতব্যবস্থায় নিজের পছন্দমতো পরিবর্তন আনার সুযোগও সংকুচিত হবে। তবে ডেমোক্র্যাটদের নিজেদের প্রস্তাবিত আইন পাস করাতে হলেও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে হবে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত চারটি আসন বাড়ানো প্রয়োজন ছিল। কাজটি সহজ ছিল না। কারণ, রিপাবলিকানদের দখলে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অধিকাংশ আসনই এমন অঙ্গরাজ্যে, যেখানে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্প বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন।
কিন্তু রাজনৈতিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলে যায়। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়া, অর্থনীতি নিয়ে মানুষের উদ্বেগ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে প্রচারে কাজে লাগান ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। ট্রাম্প ও রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে এসব ইস্যুতে জনমত গড়ে তোলেন তারা।
নির্বাচনের রাতে ডেমোক্র্যাটদের প্রথম বড় সাফল্য আসে নর্থ ক্যারোলাইনায়। সাবেক গভর্নর রয় কুপার রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাইকেল হোয়াটলিকে পরাজিত করেন। নির্বাচনের ফলাফল পর্যবেক্ষণকারী সংবাদমাধ্যমগুলোর পূর্বাভাসেও কুপারকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এরপর দক্ষিণ ক্যারোলাইনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন নিজেদের করে নেয় ডেমোক্র্যাটরা। শিশু চিকিৎসক অ্যানি অ্যান্ড্রুজ রিপাবলিকান ডারলিন গ্রাহামকে হারিয়ে দেন। গত জুলাইয়ে তার ভাই, দীর্ঘদিনের সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের আকস্মিক মৃত্যুর পর ওই আসনে নিয়োগ পেয়েছিলেন ডারলিন।
টেক্সাসেও বড় জয় পান ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ও অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য জেমস তালারিকো। তিনি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল কেন প্যাক্সটনকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। রিপাবলিকানদের প্রাথমিক মনোনয়নের লড়াইয়ে ট্রাম্প বিতর্কিতভাবে প্যাক্সটনকে সমর্থন দিয়েছিলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বর্তমান সিনেটর জন করনিন।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে অসন্তোষ রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তোলে। বছরের শুরুর দিকে মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল অভিবাসন কর্মকর্তাদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনাও ট্রাম্প প্রশাসনকে চাপে ফেলেছিল। অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদার করতে প্রশাসনের পাঠানো কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ওই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে।
এর বাইরে ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাবেও নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য বিরোধও নির্বাচনী প্রচারে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। কানাডার সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এমন কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে এর প্রভাব পড়ে।
নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের সম্ভাবনা ৫০ শতাংশের নিচে দেখেছিলেন। তবে ভোটের আগের শেষ সপ্তাহে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। তখন সিনেটের পাশাপাশি প্রতিনিধি পরিষদেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যায় দলটি।
প্রচারের শেষ সপ্তাহে ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউ ডেমোক্র্যাটদের সিনেট পুনর্দখলের সম্ভাবনা ৬০ শতাংশ বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পূর্বাঞ্চলীয় সময় অনুযায়ী কালশি পূর্বাভাস বাজারে সেই সম্ভাবনা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬ শতাংশে।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানো ট্রাম্পের জন্য বড় রাজনৈতিক প্রত্যাখ্যান হিসেবেই দেখা হচ্ছে। অক্টোবরজুড়ে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। ওহাইওর জন হাস্টেড, আলাস্কার ড্যান সুলিভান, কানসাসের রজার মার্শাল, দক্ষিণ ক্যারোলাইনার গ্রাহাম এবং টেক্সাসের প্যাক্সটনের হয়ে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট।
ডেমোক্র্যাটদের জয় ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মসূচিকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। কংগ্রেসের নির্বাচনের পর চলমান অধিবেশনের শেষ পর্যায়েও তার প্রশাসনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে। ডেমোক্র্যাটরা আগেই সতর্ক করে দিয়েছেন, ট্রাম্পের বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের মনোনীত ব্যক্তিদের সিনেটের অনুমোদন পাওয়া সহজ হবে না।
এখন সিনেটে রিপাবলিকান সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা জন থুনের সামনে কঠিন সিদ্ধান্ত। অধিবেশনের বাকি সময়টুকুতে ট্রাম্পের মনোনীত কর্মকর্তাদের যত বেশি সম্ভব নিয়োগ নিশ্চিত করবেন, নাকি ডেমোক্র্যাটদের আপত্তি উপেক্ষা করে প্রতিরক্ষা দপ্তরের অর্থায়নে বাজেট সমন্বয় বিল নিয়ে কাজ করবেন-তা ঠিক করতে হবে তাকে।
ডিসেম্বরে সিনেট ডেমোক্র্যাটদের নেতৃত্ব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেখানে চাক শুমার সহজেই সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা নির্বাচিত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও ইলিনয়ের নবনির্বাচিত সিনেটর জুলিয়ানা স্ট্র্যাটনের মতো কয়েকজন নির্বাচিত প্রতিনিধি শুমারকে সমর্থন না দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, আগামী সপ্তাহে রিপাবলিকানদের নেতৃত্ব নির্বাচনে জন থুনের সিনেটে সংখ্যালঘু নেতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচনের শেষ সপ্তাহে দক্ষিণ ক্যারোলাইনার রক হিল, ওহাইওর চিলিকোথি এবং টেক্সাসের করপাস ক্রিস্টিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রচারে যান ট্রাম্প। জনমত জরিপে রিপাবলিকানরা পিছিয়ে থাকা কিংবা সমানে সমান অবস্থানে থাকলেও তিনি দলের বিজয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে বিপুলসংখ্যক ভোটার কেন্দ্রে এসেছিলেন। এবারও সাধারণত কম ভোট দেন এমন সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আনতে অভিনব আহ্বান জানান ট্রাম্প। সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তারা যেন মনে করেন, এবারের নির্বাচনে তিনিও প্রার্থী।
সিনেটে জয় ডেমোক্র্যাটদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। নির্বাচনী সাফল্যকে আইন প্রণয়নের অর্জনে রূপ দিতে এখন দলের সমর্থকদের চাপ সামলাতে হবে তাদের। তবে বাস্তবতা হলো, কোনো বিল আইনে পরিণত করতে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
রিপাবলিকানদের তুলনায় প্রচারে অনেক কম অর্থ ব্যয় করেও বড় জয় পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী কমিটি ও তাদের সমর্থক বাইরের সংগঠনগুলো বিপুল অর্থ ঢেলেছিল। নেতিবাচক বিজ্ঞাপন দিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের প্রচার মোকাবিলার চেষ্টা করেছে তারা।
প্রচারের অর্থ ব্যয়ের হিসাব রাখা প্রতিষ্ঠান ওপেনসিক্রেটসের তথ্য অনুযায়ী, টেক্সাসে তালারিকোর বিরুদ্ধে বাইরের সংগঠনগুলো ১৫ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বেশি ব্যয় করেছে। ওহাইওতে সাবেক সিনেটর শেরড ব্রাউনের বিরুদ্ধে ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি।
মিশিগানে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানপন্থী সংগঠনগুলো ৯ কোটি ১০ লাখ ডলারের বেশি খরচ করেছে। মেইনে ডেমোক্র্যাট মনোনীত প্রার্থী ট্রয় জ্যাকসনের বিরুদ্ধে ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি।
সিনেটের অর্থ সংগ্রহের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত এক রিপাবলিকান সূত্রের হিসাব, সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে জন থুন ও তার সমর্থক বাইরের সংগঠনগুলো প্রায় ৭৫ কোটি ডলার ব্যয় করেছে।
রিপাবলিকান সহকর্মীদের প্রচারে নিজেদের আইন প্রণয়নের সাফল্য তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছিলেন থুন। বিশেষ করে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের করছাড় স্থায়ী করা এবং করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় অঙ্কের কর সুবিধা নিশ্চিত করা ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’-এর কথা প্রচারে সামনে আনতে বলেছিলেন তিনি। ওই আইনে বকশিশ ও অতিরিক্ত কর্মঘণ্টার আয়ের ওপর কর ছাড়ের মতো নতুন সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটদের প্রচারের মূল বিষয় ছিল মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও জীবনযাত্রার ব্যয়। ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সংস্কৃতি গড়ে তোলার অভিযোগও তুলেছিলেন তারা।
গত মাসে শুমার সহকর্মীদের সতর্ক করে বলেছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে ডেমোক্র্যাটরা অর্থ ব্যয়ের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে রয়েছেন। রিপাবলিকানদের এই অর্থনৈতিক সুবিধাকে তিনি 'বিশাল এক সুবিধা' হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।
তবে নির্বাচনী প্রচারের জন্য প্রার্থীদের নিজস্ব তহবিল সংগ্রহে এগিয়ে ছিলেন ডেমোক্র্যাটরা। এক ডজনের বেশি সিনেট নির্বাচনী এলাকায় ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের প্রার্থীরা মোট ২৫ কোটি ডলারের বেশি সংগ্রহ করেন। একই সময়ে রিপাবলিকান প্রার্থীদের সংগ্রহ ছিল ৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের কিছু বেশি।
টেক্সাসে তালারিকো ওই তিন মাসে ৬ কোটি ডলারের বেশি সংগ্রহ করেন। প্যাক্সটনের সংগ্রহ ছিল প্রায় ১ কোটি ডলার।
ওহাইওতে জুলাইয়ের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত শেরড ব্রাউন সংগ্রহ করেন ২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। একই সময়ে রিপাবলিকান সিনেটর জন হাস্টেডের সংগ্রহ ছিল ৪৮ লাখ ডলার।
আলাস্কায় সাবেক প্রতিনিধি মেরি পেলটোলা তৃতীয় প্রান্তিকে ১ কোটি ৭০ লাখ ডলার সংগ্রহ করেন। রিপাবলিকান সিনেটর ড্যান সুলিভানের সংগ্রহ ৩০ লাখ ডলারেরও কম ছিল।
তবে অর্থ সংগ্রহে রিপাবলিকানদের বড় ব্যবধান শেষ পর্যন্ত ভোটারদের মনোভাব বদলাতে পারেনি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, অর্থনীতি সামলাতে ট্রাম্পের ভূমিকা এবং ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘাত নিয়ে মানুষের অসন্তোষ নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলেছে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার জন্যও ভোটারদের একটি অংশ ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছে।
অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে সারা দেশে নিবন্ধিত ভোটারদের ওপর ফক্স নিউজের এক জরিপে ট্রাম্পের কর্মদক্ষতার প্রতি সমর্থন নেমে আসে ৩৬ শতাংশে। তার কাজের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন ৬৪ শতাংশ ভোটার।
রিপাবলিকানদের জন্য আরও উদ্বেগের বিষয়, স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে মাত্র ২২ শতাংশ ট্রাম্পের কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। জরিপে রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যেও প্রেসিডেন্টের প্রতি সমর্থন কমে ৭৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: দ্য হিল




