ছবি: সংগৃহীত
ইরান হরমুজ প্রণালিতে কমপক্ষে এক ডজন মাইন স্থাপন করেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। এ প্রণালিটি বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যুদ্ধের শুরুতেই ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচল করলে তা ধ্বংস করার হুমকি দেয়ার পর এটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী সংকীর্ণ এই জলপথের নিচে কমপক্ষে এক ডজন ‘মাহাম ৩’ ও ‘মাহাম ৭’ লিম্পেট মাইন রয়েছে। নৌ চলাচল পুনরায় শুরু করতে হলে এগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অপসারণ করতে হবে। ইরানে তৈরি ‘মাহাম ৩’ একটি নোঙরযুক্ত নৌমাইন, যা চুম্বকীয় সেন্সরের মাধ্যমে কাছাকাছি জাহাজ শনাক্ত করে। জাহাজের সঙ্গে সরাসরি সংস্পর্শ ছাড়াই এটি বিস্ফোরিত হতে পারে।
অন্যদিকে ‘মাহাম ৭’ একটি ছোট কিন্তু উচ্চ বিস্ফোরকযুক্ত স্টিকিং মাইন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানের জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুর ওপর পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন, যখন তিনি জানান যে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে তিনি ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে হরমুজ প্রণালি পরিচালনা করবেন। তবে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, ট্রাম্প পিছু হটেছেন এবং কোনো আলোচনা হয়নি। তারা এটিকে ভুয়া খবর বলে অভিহিত করেন, যা আর্থিক ও তেল বাজারকে প্রভাবিত করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটকে গুরুতর বলে উল্লেখ করেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।




