Bahumatrik | বহুমাত্রিক

সরকার নিবন্ধিত বিশেষায়িত অনলাইন গণমাধ্যম

চৈত্র ১১ ১৪৩২, বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ ২০২৬

বিসিএসআইআরে করোনা ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন

বহুমাত্রিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:৪৮, ৩০ মে ২০২০

প্রিন্ট:

বিসিএসআইআরে করোনা ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) জিনোমিক গবেষণাগারে তিনটি কোভিড-১৯ কেসের সম্পূর্ণ সিকোয়েন্সিং সফলতার সাথে সম্পন্ন করা হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের নির্দেশনায় বিসিএসআইআর এ পদক্ষেপ নেয় বলে শনিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

জিনোম সিকোয়েন্সিং থেকে প্রাপ্ত তথ্য বৈশ্বিক ডাটা ব্যাংক ‘গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটা (জিআইএসএআইডি)-এ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সংস্থাটি এগুলো গ্রহণ ও প্রকাশ করেছে।ডাটা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এমাইনো এসিড লেভেলে মোট নয়টি ভ্যারিয়ান্ট পাওয়া গেছে।

সিকোয়েন্সিং করার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেছিল সরকারের আরেকটি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার। প্রাপ্ত নমুনা হতে এ ফলাফল পাওয়া যায়।

গবেষক দলের প্রধান ড. মো. সেলিম খান বলেন, বিশ্লেষণে বাংলাদেশের এ ভাইরাসটির সাথে সবচেয়ে বেশি মিল (৯৯.৯৯ শতাংশ) পাওয়া যায় ইউরোপিয়ান উৎস বিশেষ করে সুইডেনের সাথে।

তবে বিসিএসআইআরের এ মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আরও বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য তাদের তিনটিসহ দেশে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত সর্বমোট ২৩টি পূর্ণাঙ্গ সিকোয়েন্সিংয়ের ডাটা হতে কোনো সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়া মোটেই যথেষ্ট নয়। উৎস, ক্লাস্টার, ট্রান্সমিশন ডাইনামিক্স, মলিকুলার ডেটিং, ভ্যাক্সিন ডিজাইনসহ অন্যান্য গবেষণা কাজ বেগবান করার জন্য এ মুহূর্তে প্রয়োজন দেশের বিভিন্ন জায়গায় শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস আইসোলেশনের আরও বেশি সিকোয়েন্সিং ডাটা।

এদিকে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সিনিয়ির সচিব দেশের সম্ভাব্য সব এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বিসিএসআইআরের জিনোমিক গবেষণাগারে সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশনা দিয়েছেন। সে নির্দেশনা অনুযায়ী বিসিএসআইআরের জিনোমিক গবেষণাগারসহ তাদের আওতাধীন ডেজিগনেটেড রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস (ডিআরআইসিএম) এ কাজটি করে যাচ্ছে। কাজটি সম্পন্ন করা হলে একটি পূর্ণাঙ্গ ভিত্তির ওপর গবেষণাটি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং তা নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রতিষেধক, ওষুধ ও টিকা আবিষ্কারে সহায়তা করবে।

Walton
Walton