ছবি: সংগৃহীত
দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।বুধবার আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
রুহুল কুদ্দুস এর আগে পদত্যাগ করা অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আসাদুজ্জামান অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপির মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত হন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় তাকে আইনমন্ত্রী করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান।
তিনি বিএনপি-সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের একজন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বিএনপির আইনি সহায়তা সাব-কমিটির টিম লিডার হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে আইন পেশা ও আইনি সংস্কার নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি উচ্চ আদালতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা পরিচালনা করে থাকেন। আওয়ামী লীগের সময় আইনজীবী সমিতির রাজনীতি করতে গিয়ে জেল ও রিমান্ডেও যেতে হয়েছে তাকে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ব্যারিস্টার কাজল ১৯৯৫ সনে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হন।
ছাত্রজীবনে রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবে লন্ডন হাইকমিশনে কাজ করেছেন ২০০৩-০৬ মেয়াদে। তিনি ২০০৮ সালে দেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি দেন।
জুলাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে বেশ কয়েকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক মামলার শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
এর মধ্যে ষোড়শ সংশোধনী রিভিউ মামলা, পঞ্চদশ সংশোধনী মামলা, ডক্টর ইউনুস সরকারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের বিপক্ষে শুনানিতে তার সাবমিশন আইনজীবী মহলে অত্যন্ত প্রশংসনীয় হয়েছে।
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাসিন্দা কাজল ১৯৮৮ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ডে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৮ম হয়েছিলেন।




