ছবি: সংগৃহীত
গ্যালারি ভর্তি প্রায় ৮০ হাজার দর্শকের সমর্থন, ঘরের মাঠের সুবিধা—সবকিছুই ছিল স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া নারী ফুটবল দলের পক্ষে। কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে দারুণ এক পারফরম্যান্সে জাপান নারী দল ১-০ গোলের জয়ে জিতে নিয়েছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের শিরোপা।
ফাইনাল ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমিয়ে তোলে লড়াই। তবে ম্যাচের একমাত্র এবং নির্ধারক গোলটি আসে প্রথমার্ধেই। ১৭ মিনিটে জাপানের তরুণ তারকা মাইকা হামানো বক্সের বাম দিক থেকে দুর্দান্ত এক কোণাকুণি শটে বল জালে জড়ান। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড চেষ্টা করেও সেই শট ঠেকাতে পারেননি।
গোল হজমের পর ঘরের দর্শকদের উচ্ছ্বাসে উজ্জীবিত হয়ে সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অস্ট্রেলিয়া। দলের সেরা তারকা স্যাম কের একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও জাপানের শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভেদ করতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের শেষ দিকে এমিলি ভ্যান এগমন্ডের জোরালো শট জাপানি ডিফেন্ডাররা প্রতিহত করলে শেষ আশাটুকুও নিভে যায় স্বাগতিকদের।
পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত রক্ষণভাগের প্রমাণ দিয়েছে জাপান। বিশেষ করে দলনেতা সাকি কুমাগাই-এর নেতৃত্বে রক্ষণভাগ ছিল অটুট। গোলপোস্টের নিচে আয়াকা ইয়ামাশিতার দৃঢ়তায় কোনো গোল হজম করতে হয়নি ফাইনালেও।
এই জয়ে আরও একবার অস্ট্রেলিয়ার হৃদয় ভাঙলো জাপান। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের ফাইনালেও একই ব্যবধানে জাপানের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছিল অজিরা। সিডনির এই হার যেন সেই পুরনো দুঃখেরই পুনরাবৃত্তি।




