ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের খানকাহ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান সাজ্জাদানশীনের উত্তরাধিকারী হযরত ইমামুল আরেফীন ড. মাওলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
দরবার শরীফের সাহেবজাদা মোহাম্মদ মছুদুর রহমান জানান, হযরত শাহ জাহাঁগীর শেখুল আরেফীন (ক.), হযরত শাহ জাহাঁগীর ফখরুল আরেফীন (ক.) ও হযরত শাহ জাহাঁগীর শমসুল আরেফীন (ক.)-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সাজ্জাদানশীন হযরত শাহ জাহাঁগীর তাজুল আরেফীন (ক.)-এর তত্ত্বাবধানে এ ধারা অব্যাহত রয়েছে।
দরবার সূত্র জানায়, প্রায় আড়াইশ বছর ধরে মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা হানাফি মাজহাব অনুযায়ী বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে রোজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা ও চান্দ্রমাস সংশ্লিষ্ট সব ধর্মীয় অনুশাসন পালন করে আসছেন। এ ধারার সূচনা করেন হযরত মাওলানা মোখলেছুর রহমান জাহাঁগীর (ক.), যিনি পৃথিবীর যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ধর্মীয় বিধান পালনের ফতোয়া প্রদান করেন।
সাতকানিয়া উপজেলার গারাংগিয়া, সোনাকানিয়া, ছোটহাতিয়া, আছারতলি, সাইরতলি, এওচিয়া, খাগরিয়া, ছদাহা, গাটিয়াডেঙ্গা ও বাজালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ছাড়াও লোহাগাড়া, বাঁশখালী, পটিয়া ও সীতাকুণ্ড উপজেলার একাধিক গ্রামে এভাবে ঈদ উদযাপন করা হয়।
এছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপ ও বরুমচড়া গ্রাম, মিরসরাই, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, রাউজান ও ফটিকছড়ি; কক্সবাজারের টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া; বান্দরবানের লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি; ফেনী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, চাঁদপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা ও ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার শতাধিক গ্রামেও একইভাবে ঈদ উদযাপন করেছেন অনুসারীরা।




