ফাইল ছবি
রাজধানীর আদাবর এলাকার বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলেরপ্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দারোয়ান ধলু শিকদারের চড়-ঘুষি ও বেধড়ক পিটুনিতে আহত হয়েছেন।
বুধবার বিকেলে আদাবর রিং রোডে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলায় দারোয়ান ধলু শিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এতে বেগম নূরজাহান মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলে অন্য শিক্ষকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।।
ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের তিন কাঠার একটি জমি দীর্ঘদিন ধরে কর্মচারী ধলু শিকদার অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করে আসছিলেন। স্কুলের জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্য ২০১৩ সাল থেকে তাকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়। এরপর ২০২০ সালে তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় জায়গা ছেড়ে দিতে লিখিত নোটিশ দেওয়া হয়।
তিনি বলেন, ২০২৪ পরবর্তী সময়ে আমরা স্কুলের উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ছাত্রীদের জন্য একটি হোস্টেল নির্মাণের উদ্যোগ নেই। এজন্য ধলুর দখল করে রাখা জায়গাটির প্রয়োজন হয়। কারণ জায়গাটি খালি না থাকলে সরকারি অনুদানের আবেদন করা সম্ভব নয়।
প্রধান শিক্ষক জানান, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে এক মাসের মধ্যে দাঁরোয়ানকে জায়গা ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের অনুলিপি থানা শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের শিক্ষকরা মিলে বিকেলে বিষয়টি নিয়ে আবারও শিক্ষক সভা শেষে তাকে জায়গা ছেড়ে দিতে বলা হয়। কাজ শেষ করে আমি বের হওয়ার সময় স্কুল ফটকের সামনে বাউন্ডারির বাহিরে দারোয়ান ও তার স্ত্রী অবস্থান করছিলেন। স্কুলের সব শিক্ষক বের হয়ে যাওয়ার পরে আমি বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা আমার ওপর আক্রমণ করে চড়-ঘুষি দিতে থাকে। তাদের বেধড়ক পিটুনি আমি আহত হই।
এ বিষয়ে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, বেগম নূরজাহান স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় দুজনকে আসামি করে একটি মামলা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।




