Bahumatrik | বহুমাত্রিক

সরকার নিবন্ধিত বিশেষায়িত অনলাইন গণমাধ্যম

শ্রাবণ ৩ ১৪৩৩, রোববার ১৯ জুলাই ২০২৬

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

বহুমাত্রিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩০, ১৯ জুলাই ২০২৬

প্রিন্ট:

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’

ছবি: সংগৃহীত

বর্ষার আবহে সুর ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শ্রাবণ সন্ধ্যা’। মনোমুগ্ধকর এই সাংস্কৃতিক আয়োজনে রবীন্দ্রসংগীত, শাস্ত্রীয় সংগীত ও গজল পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে হাইকমিশন প্রাঙ্গণ।

শনিবার ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে ভারত ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সংগীত ঐতিহ্য এবং দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনকে উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি শ্রাবণ সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে আগত সবাইকে স্বাগত জানান।

যুগ যুগ ধরে বর্ষা এ অঞ্চলের কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীতশিল্পী ও শিল্পীদের সৃষ্টিশীলতায় বিশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে বাংলা ও হিন্দি ভাষার বর্ষাভিত্তিক নির্বাচিত গান পরিবেশন করা হয়, যেখানে প্রকৃতি, অনুভূতি এবং শ্রাবণের আবহ ফুটে ওঠে।

সন্ধ্যার শুরুতে প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিল্পী গুরু অনিল কুমার সাহা ও অলোক কুমার সেন হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত পরিবেশন করেন। পরে বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ও গবেষক চঞ্চল খান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একাধিক কালজয়ী গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

গুরু অনিল কুমার সাহা বাংলাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতাঙ্গনের একজন সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী ও সংগীতগুরু। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের সংরক্ষণ ও প্রসারে তার অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি বহু সফল শিল্পী গড়ে তুলেছেন এবং তরুণ সংগীতশিল্পীদের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।

অলোক কুমার সেনও বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান কণ্ঠশিল্পী। হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ও উপশাস্ত্রীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি গজল, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক বাংলা গান পরিবেশনের জন্য তিনি দেশে-বিদেশে প্রশংসিত।

এই সময়ে বিশিষ্ট অভিনেতা তারিক আনাম খান, সহকারী হাইকমিশনার পবন বাদেসহ আরও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শিল্পীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

Walton
Walton