ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত দুঃখজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেবে না। এ ধরনের যুদ্ধ পরিস্থিতি কোনো অঞ্চলের জন্যই মঙ্গলজনক হবে না।
সৌদি আরবের জেদ্দায় ফিলিস্তিন ইস্যুতে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলন শেষে দেশে ফিরে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ ৪০ বছর পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে লড়বে বাংলাদেশ। সৌদি আরব সফরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে লড়াইয়ে ওআইসিভুক্ত বিভিন্ন দেশ সমর্থন দেবে। এ ছাড়া মালদ্বীপ, পাকিস্তান, তুরস্ক, ফিলিস্তিন ও সৌদি প্রতিনিধির সঙ্গে পৃথক বৈঠক হয়েছে। দেশগুলোর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির আশা প্রকাশ করেছেন।
বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরালো করার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে বলেও জানান খলিলুর রহমান।
ফিলিস্তিন প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের আগের সীমানা অনুযায়ী এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই এই দৃঢ় অবস্থান বজায় আছে এবং এতে কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও জানান তিনি।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যকার অস্থিরতা নিরসনে বাংলাদেশ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেয় বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এই আদর্শে অটল থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম বৈদেশিক সফরে কোন দেশে যাবেন তা চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান খলিলুর রহমান।




