ছবি: সংগৃহীত
শপথ নেয়ার পর নতুন ছয় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দফতর বণ্টন করা হয়েছে। চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন মন্ত্রীর দফতরও পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন ছয় মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ পড়ান নতুন দায়িত্ব নেয়া রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়া চারজন হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা) ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, আবদুল মঈন খানকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। আন্দালিভ রহমান পার্থকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। আর বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী পেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
অন্যদিকে হুমায়ুন কবিরকে (টেকনোক্র্যাট-সংসদ সদস্য নন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে দেয়া হয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।
এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানমকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। নতুন দায়িত্ব বণ্টনের পর মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ জনে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৮ জন মন্ত্রী ও ২৫ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। শুরুতে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ছিল ৫০ জন। তাদের মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এরপর ১২ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। একই দিনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার এবং কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগের দিনই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয় আহমেদ আযম খানকে। অন্যদিকে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
এরপর গত ১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। সবশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর ফলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী পদটি শূন্য হয়।




