Bahumatrik | বহুমাত্রিক

সরকার নিবন্ধিত বিশেষায়িত অনলাইন গণমাধ্যম

পৌষ ২৩ ১৪৩২, বুধবার ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রী

বহুমাত্রিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:২৭, ৫ জানুয়ারি ২০২৬

প্রিন্ট:

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরো ও তার স্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতাচ্যুত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের আদালতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন। মাদক-সন্ত্রাস, কোকেন পাচার ও অস্ত্র রাখার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে সেখানেই তার বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সিএনএন বলছে, এরই মধ্যে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বহনকারী একটি সাঁজোয়া যান নিউইয়র্কের আদালত ভবনে পৌঁছেছে। গাড়িটিকে ভবনের ভেতরে রিভার্স করে ঢুকতে দেখা যায়, চারপাশে ছিল মার্কিন ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ)-এর এজেন্টরা।

এর আগে একটি হেলিকপ্টারে করে মাদুরোকে আদালতের কাছের একটি হেলিপোর্টে আনা হয়। সেখানে নামার পর তাকে একটি ভ্যানে তুলে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা দেওয়া হয়। আজকের শুনানিতে মাদক ও অস্ত্র পাচার সংক্রান্ত অভিযোগে মাদুরোর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ডব্লিউএবিসি কর্তৃক ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, সাঁজোয়া গাড়িবহরের অংশ একটি যান থেকে নামছেন মাদুরো। এ সময় তার পরনে ছিল হালকা বাদামি রঙের পোশাক।

মাদুরোর বিরুদ্ধে হাইপ্রোফাইল এই মামলার দায়িত্ব পেয়েছেন ৯২ বছর বয়সী ফেডারেল বিচারক অ্যালভিন কে. হেলারস্টাইন। তিনি ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মনোনয়নে বিচারক নিযুক্ত হন এবং ২০১১ সাল থেকে সিনিয়র বিচারক হিসেবে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টে দায়িত্ব পালন করছেন। হেলারস্টাইন ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলা-সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলাসহ জাতীয় নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত নানা মামলার বিচার পরিচালনা করেছেন। গত গ্রীষ্মে ভেনেজুয়েলার সাবেক জেনারেল ও গোয়েন্দা প্রধান হুগো কারভাহাল বারিওস তার এজলাসেই নার্কো-সন্ত্রাসবাদ ও মাদক পাচার সংক্রান্ত অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। এছাড়া বিচারক হেলারস্টাইন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের একটি আলোচিত আবেদনও খারিজ করেছিলেন। ‘হাশ মানি’ মামলাটি ফেডারেল আদালতে নেওয়ার আবেদন নাকচ করে তিনি রায় দেন যে স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে অর্থপ্রদানের বিষয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ প্রেসিডেন্টের দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। ট্রাম্প এখনও ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

Walton
Walton