ফাইল ছবি
অবশেষে গ্রিনল্যান্ড দখল করে নেয়ার বিষয়ে নিজের প্রশাসনের ভিতরে আলোচনা শুরু হয়েছে মার্কিন প্রশাসনে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড দখলে বিভিন্ন পরিকল্পনার মধ্যে সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা আছে। বিবিসিকে দেয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস বলেছে, গ্রিনল্যান্ডকে অধিগ্রহণ করা ‘জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত অগ্রাধিকার’। গ্রিনল্যান্ড হলো ন্যাটো সদস্য ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। হোয়াইট হাউসের এই বিবৃতির কয়েক ঘন্টা আগে ইউরোপীয়ান নেতৃবৃন্দ যৌথ বিবৃতি দিয়ে ডেনমার্কের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন। ডেনমার্ক শুরু থেকেই ট্রাম্পের আর্কটিক দ্বীপটি অধিগ্রহণের আকাঙ্ক্ষার বিরোধিতা করে আসছে।
সপ্তাহান্তে ট্রাম্প আবারও বলেন যে, নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ড ‘প্রয়োজন’। এর জবাবে ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করেন। তিনি বলেন, গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আক্রমণ হলে ন্যাটোর সমাপ্তি ঘটতে পারে। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউস জানায়, প্রেসিডেন্ট ও তার দল এই গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতিগত লক্ষ্য অর্জনে একটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন এবং অবশ্যই, সামরিক বাহিনী ব্যবহার করা হলো সেই বিকল্পগুলোর একটি। এই সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক প্রেসিডেন্ট নিজে। ফলে তার হাতে সবসময় এটা ব্যবহারের সুযোগ থাকে।




