
ছবি: সংগৃহীত
ডিআরইউ’তে মঞ্চ একাত্তেরর গোলটেবিল আলোচনাকে ঘিরে একদল যুবকের হট্টোগোলের পর অনুষ্ঠানস্থল থেকে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনকে আটক করেছে পুলিশ। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেক জ্যেষ্ঠ ও বিশিষ্ট নাগরিকরা হেনস্তার শিকার হন।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের রমনা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্যমতে, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, আইনজীবী ও অন্যান্য পেশাজীবীদের নিয়ে একটি অনুষ্ঠান চলছিল। সেখানে একদল যুবক উপস্থিত হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যদের গালাগালও করা হয়।
প্রথম আলো এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, 'আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজক ছিল 'মঞ্চ ৭১' নামে একটি প্ল্যাটফর্ম। আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের। সকাল ১০ টায় গোলটেবিল আলোচনা শুরুর কথা থাকলেও বেলা ১১টায় আলোচনা সভাটি শুরু হয়।
আলোচনা সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরেই মিছিল নিয়ে একদল ব্যক্তি ডিআরইউ মিলনায়তনে ঢোকেন। নিজেদের জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তিরা একপর্যায়ে গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে আলোচনায় অংশ নেওয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। দুপুর সোয়া বারোটার দিকে পুলিশের (ডিএমপি) একটি দল আসলে তাঁরা পুলিশের কাছে লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানসহ অন্তত ১৫ জনকে তুলে দেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব আবু আলম শহীদ খান, মঞ্চ ৭১-এর সমন্বয়ক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদসহ মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার বিশিষ্টজনরা।