ফাইল ছবি
রাজধানীর বনানী কবরস্থানে মায়ের কবরেই সমাহিত হলেন বরেণ্য নাট্যজন ও অভিনেতা আতাউর রহমান।মঙ্গলবার বিকেলে জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে।
এর আগে রাজধানীর মগবাজারে ইস্পাহানি সেঞ্চুরি আর্কেডে নিজ বাসভবনের সামনে বাদ জোহর মরদেহের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন অভিনেতার ছোট ভাই আবু নোমান মামুদুর।এ সময় উপস্থিত ছিলেন মামুনুর রশীদ, জাহিদ হাসান, নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু, গাজী রাকায়েতসহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষজন।
জানাজার পর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে নেয়া হয়। সেখানে রাষ্ট্রীয় ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় তাকে।এর আগে সোমবার দিবাগত রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) আতাউর রহমান। অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
প্রসঙ্গত, ১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া আতাউর রহমান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী। তিনি একাধারে নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক ও লেখক। স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত তিনি। দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক।




