Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
৭ ফাল্গুন ১৪২৬, বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৬:০০ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

কিশোরীকে অপহরণ করে প্রেমিকসহ ৯ জন মিলে ধর্ষণ


০৫ জানুয়ারি ২০২০ রবিবার, ১২:৫২  এএম

কাজী রকিবুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুমাত্রিক.কম


কিশোরীকে অপহরণ করে প্রেমিকসহ ৯ জন মিলে ধর্ষণ

যশোর :  যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার কিশোরী নিশি অপহরণের ও গণধর্ষনের মামলায় তিনজনকে আটক ও ধর্ষণের আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। খুলনা, গোপালগঞ্জ ও যশোরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। ভিকটিম কিশোরীকে দফায় দফায় ৯জন ধর্ষণ করে। শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) তৌহিদুল ইসলাম, যশোর ডিবি পুলিশের ওসি মারুফ আহম্মেদসহ পুলিশ সদস্যরা। আটককৃতরা হলো ভিকটিমের বন্ধু যশোর শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকা আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে আল আফসান পুষ্প, খড়কি হাজামপাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে রায়হান ও সোহরাব হোসেনের ছেলে শাকিল।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) তৌহিদুল ইসলাম জানান, গত ১ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ভিকটিম রিকশাযোগে বকচর থেকে শহরের মনিহার এলাকায় যাচ্ছিলো। বকচর র‌্যাব ক্যাম্পের অদূরে পৌছুলে কয়েকজন তাকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। এরপর অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে চাকু ঠেকিয়ে মেয়েটিকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার ভয় দেখায়। এরপর তার ওপর নির্যাতন চালায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে তারা হাসপাতাল এলাকায় ছেড়ে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ৩ নভেম্বর মেয়েটির মা ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা করেন।

যশোর ডিবি ও কোতোয়ালী থানা পুলিশের তদন্তে আসামিদের সনাক্ত করা হয়। এরপর ডিবি পুলিশ গত ২ জানুয়ারি খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি পুষ্পকে গ্রেফতার করে। এরপর তার স্বীকারোক্তিতে দেয়া তথ্য মতে গোপালগঞ্জ থেকে রায়হান ও যশোর শহরের খড়কি এলাকা থেকে শাকিল নামে দুইজনকে আটক করা হয়। তাদের দেখানো মতে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষণের আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম আরো জানান, মামলার প্রধান আসামি পুষ্পের সাথে ভিকটিমের বন্ধুত্ব ছিলো। একটি কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা পুষ্পের সহযোগিতায় ভিকটিম অপহরণ করে। এরপর শহরের খড়কি ডাক্তার বাড়ির পিছনে একটি বাগানে নিয়ে ভিকটিমকে মাদক সেবন করায়। এরপর তাকে ৫ জন ধর্ষণ করে। পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় শহরের লোন অফিসপাড়ায় সন্ত্রাসী ভাগ্নে হৃদয়ের বাড়িতে দিয়ে আসে ধর্ষণকারীরা। সেখানেও ভাগ্নে হৃদয়সহ আরো ৪জন রাতভর তাকে ধর্ষণ করে। পরের দিন সকালে অসুস্থ ভিকটিমকে তারা হাসপাতাল এলাকায় ফেলে চলে যায়।

ধর্ষণকারী ৯জনকে সনাক্ত করা হয়েছে। সবাইকে আটক করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে দাবি করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) তৌহিদুল ইসলাম

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea

অসঙ্গতি প্রতিদিন -এর সর্বশেষ