ছবি: সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে মুহুর্মুহু হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। শনিবার বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারাকাসে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বিবিসির মার্কিন অংশীদার সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
কারাকাসে যেসব জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে তার মধ্যে সামরিক স্থাপনাও রয়েছে। প্রায় একই সময়ে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, কারাকাসে অন্তত ৭টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ভেনেজুয়েলার সরকার এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। দেশটি অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন প্রদেশে সামরিক স্থাপনা ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে।
ভেনেজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কারাকাস ছাড়াও মিরান্দা, আরাগুয়া, লা গুইয়ারা প্রদেশে হামলা হয়েছে। এই হামলা ঘিরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলায় কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা এবং প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উভয় স্থানে বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিস্ফোরণের কারণে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ নেই। এ ছাড়া শহরের ওপর দিয়ে বিমান উড়ছে বলে অনিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে।
এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটল যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ক্যারিবীয় সাগরে মাদক বহনের অভিযোগে স্পিডবোটে সামরিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেশজুড়ে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছেন, তার ভেনেজুয়েলীয় সমকক্ষ মাদক পাচার ও অপরাধের মাধ্যমে আমেরিকায় অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছেন।




