Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
৬ কার্তিক ১৪২৭, বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২০, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

করোনার ভ্যাকসিনের জন্য লাগবে ৮ হাজার জ্যাম্বো জেট বিমান


১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ বৃহস্পতিবার, ১১:২১  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


করোনার ভ্যাকসিনের জন্য লাগবে ৮ হাজার জ্যাম্বো জেট বিমান

করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন পরিবহনের জন্য বিশ্বব্যাপী অন্তত ৮ হাজার জ্যাম্বো জেট বিমান প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থা- আইএটিএ।

সংগঠনটি জানায়, করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন শিপমেন্ট এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং বিষয়। আর এ শিপেমন্টের জন্য বোয়িং সেভেন ফোর সেভেন মডেলের ৮ হাজার জাম্বো জেটের প্রয়োজন পড়তে পারে।

সম্প্রতি এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। এখনও করোনা ভাইরাসের কোন ভ্যাকসিন আবিস্কৃত হয়নি। কিন্তু এখন থেকেই এয়ারলাইন্স, বিমানবন্দর, স্বাস্থ্য সংস্থা আর ড্রাগ ফার্মগুলোর সঙ্গে ভ্যাকসিন পরিবহনের পরিকল্পনা শুরু করেছে আইএটিএ।

ইএটিএ প্রধান আলেক্সডান্ডার ডি জুনায়েক জানান, দেশে দেশে নিরাপদে করোনার ভ্যাকসিন পোঁছে দেয়া বিশ্বের আকাশপথে কার্গো পরিবহন ব্যবস্থার জন্য একটি মিশন। এটা সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া সম্ভব না।

যাত্রীবাহী বিমান চলাচল কম থাকায় এভাবে ভ্যাকসিন পরিবহনের পরিকল্পনা করছে আইএটিএ। তবে ভ্যাকসিনের শিপমেন্টের বিষয়টা অনেক বেশি জটিল। সব বিমানে ভ্যাকসিন পরিবহন করা যাবে না। ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পরিবহন করতে হবে ভ্যাকসিন।

কিছু ভ্যাকসিন আবার শূন্য বা বরফ তাপমাত্রার বহন ও সংরক্ষণ করতে হয়। তখন দরকারি বিমানের সংখ্যা আরও বাড়বে। বিশ্বের কিছু স্থানে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেয়াটা একটু বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। এর মধ্যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার কিছু স্থানে ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা না থাকায় বিপাকে পড়তে হবে।

আইএটিএ বলছে, আফ্রিকায় ভ্যাকসিন সরবরাহ করা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে কারণ কার্গো ধারণ ক্ষমতার স্বল্পতা, অঞ্চলের আয়তন আর সীমান্তে কড়াকড়ি।

সামরিক তত্ত্বাবধানে ভ্যাকসিন সবরাহ করা হবে আর ভ্যাক্সিন সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন দেশের নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করা হবে। বর্তমানে ১শ` ৪০টি ভ্যাকসিন প্রস্তুতের কাজ চলছে। ২৪টি ভ্যাকসিন মানবদেহে ট্রায়ালের কাজ চলছে।

আইএটিএ বলছে, বিভিন্ন দেশের সরকারকে ভ্যাকসিন তৈরির পর সেগুলো সাবধানে সরবরাহের পরিকল্পনা এখন থেকেই করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত তাপমাত্রায় নির্ধারিত দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ হয়েছে কিনা সেটি খেয়াল রাখতে হবে। নিরাপত্তার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

সংস্থাটি বলছে, ভ্যাকসিন অনেক ব্যয়বহুল একটি পণ্য। এটি পরিবহনের সময় অবৈধভাবে পাচার বা চুরি ডাকাতি যেন না হয়, সেদিকেও কড়া নজরদারি রাখতে হবে।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।