Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, শুক্রবার ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

সাজেকে জেলা পরিষদের পর্যটন রিসোর্ট ‘খোয়াল বুক’


৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সোমবার, ০২:০৬  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


সাজেকে জেলা পরিষদের পর্যটন রিসোর্ট ‘খোয়াল বুক’

ঢাকা: জেলার সাজেকে ‘খোয়াল বুক’ নামে একটি পর্যটন রিসোর্ট চালু করেছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। ‘খোয়াল বুক’ ত্রিপুরা ভাষা। যার বাংলা অর্থ অতিথীশালা। সাড়ে চার কোটির অধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত চার তলাবিশিষ্ট রিসোর্ট ভবনটি সম্প্রতি উদ্বোধন করেছেন রাঙ্গামাটি আসনে সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার।

সাজেক ভ্যালির অবস্থান ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে। প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের পাহাড়বেষ্টিত বিশাল উঁচুভূমির সাজেক যেন মেঘে ছোঁয়া। যার দূরত্ব বাঘাইছড়ি উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার। এরই মধ্যে পর্যটনের জন্য সাজেক হয়ে উঠেছে বিশাল সম্ভাবনাময়। সাজেকে পর্যটকদের অবকাশ যাপনে বিজিবির মারিশ্যা জোনসহ স্থানীয় উদ্যোক্তা অনেকে স্থাপন করেছেন বেশ কিছু রিসোর্ট। উন্নত মানের আরেকটি রিসোর্ট নির্মাণ করল রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ। এ পর্যন্ত সাজেকে ছোট বড় মিলে প্রায় ৮০-১০০ রিসোর্ট বা কটেজ গড়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশে পর্যটনে ব্যাপক সম্ভাবনাময় সাজেকভ্যালি কাজে লাগালে হতে পারে বাংলাদেশের দার্জিলিং। তাই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারের পাশাপাশি সাজেকে পর্যটন জোন গঠনের জন্য এগিয়ে আসছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা। কিন্তু এতে সমস্যা এখনও অনেক। তা ছাড়া আজও গড়ে ওঠেনি উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রকট রয়ে গেছে বিদ্যুৎ ও পানির সমস্যা। অভাব জরুরি চিকিৎসার। অথচ এমন পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে বিদেশে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে অঞ্চলটি। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সাজেকে ঘুরতে যাচ্ছেন প্রচুর মানুষ। কিন্তু পার্বত্য এলাকায় প্রবেশে কড়াকড়ির কারণে ইচ্ছা থাকলেও পাড়ি জমাতে চান না বিদেশীরা।

এ বিষয়ে দীপংকর তালুকদার এমপি বলেন, প্রকৃতির লীলায়িত নন্দনকানন সাজেক। পাহাড়ি পর্যটন কেন্দ্র সাজেকের রুইলুই নামক জায়গায় বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্মত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্মিত নতুন রিসোর্ট ‘খোয়াল বুক’ ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য রাঙ্গামাটির পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রুইলুই পাহাড়ের চুড়ায় নবনির্মিত ওই রিসোর্টে অবকাশ করে প্রকৃতির সৌন্দর্য লীলা অবগাহন করতে পারবেন দেশী-বিদেশী পর্যটকরা। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে আন্তরিক।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত সাজেক ঘিরে তৈরি হওয়া বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগালে এটি হবে বাংলাদেশের দার্জিলিং। আর পর্যটন খাতে অর্জিত হবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন। যাতে স্থানীয় লোকজনসহ বিপুল সুবিধা গড়ে উঠবে দেশের উন্নয়নে। এ লক্ষ্যে আমরা চালু করেছি এ রিসোর্টটি।বাসস

 

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।