Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
১৮ চৈত্র ১৪২৬, বৃহস্পতিবার ০২ এপ্রিল ২০২০, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হলো আজহারকে


১৭ মার্চ ২০২০ মঙ্গলবার, ০৩:৫১  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হলো আজহারকে

ঢাকা : একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে তার মৃত্যু পরোয়ানা পড়ে শোনানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি এ টি এম আজহারুল ইসলামকে এ পরোয়ানা পড়ে শোনায় কারা কর্তৃপক্ষ।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৬ মার্চ) গভীররাতে জামায়াতে ইসলামীর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছায়। পরে মঙ্গলবার সকালে কারাগারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় পড়ে শোনান। এ সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলাম এ রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন করবেন বলে কারা কর্তৃপক্ষকে জানান।

কারা কর্তৃপক্ষ আরও জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত এটিএম আজহারুল ইসলাম মধ্যে রিভিউ পিটিশন জমা দিতে পারবেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন। জামায়াতের এই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলকে একই সঙ্গে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। গত বছরের ৩১ অক্টোবর তার সেই সাজা বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

রোববার আপিলের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৌঁছানোর পর তার বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। এরপরই মৃত্যু পরোয়ানা কারাগারে পাঠানো হয়।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম একাত্তরে ইসলামী ছাত্রসংঘের জেলা কমিটির সভাপতি ছিলেন। সে সময় তার নেতৃত্বেই বৃহত্তর রংপুর এলাকায় হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে লুটপাট-অগ্নিসংযোগসহ বর্বরতা চালানো হয়। রায়ে তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধের মধ্যে পাঁচটি এবং পরিকল্পনা-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায় প্রমাণিত হয়। এর মধ্যে রংপুর অঞ্চলে গণহত্যা চালিয়ে অন্তত এক হাজার ৪০০ জনকে হত্যা ও নিজেই ১৪ জনকে খুনের অপরাধে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।