Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
১৫ শ্রাবণ ১৪২৮, শনিবার ৩১ জুলাই ২০২১, ২:৪১ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলে আমিরাতের দূতাবাস


১৪ জুলাই ২০২১ বুধবার, ০৭:২৪  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলে আমিরাতের দূতাবাস

প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলে দূতাবাস খুলেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বুধবার  ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ ও ইসরায়েলে আমিরাতের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ খাজা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তেলআবিবের স্টক এক্সচেঞ্জ ভবনে এই দূতাবাসের অবস্থান। এর আগে গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে দূতাবাস স্থাপন করে ইসরায়েল। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও হারিৎস এমন খবর দিয়েছে।

এতে দুদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুবিধার প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। গত বছর দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। তৎকালীন মার্কিন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ‘আব্রাহাম চুক্তি’র অধীন তাদের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ হয়েছে। এরপর সুদান ও মরোক্কোও স্বীকৃতি দিয়েছে ইসরায়েলকে।

মোহাম্মদ খাজা বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর এই প্রথম আমাদের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা হতে দেখেছি। এর আগে ভবনের বাইরে আমিরাতের পতাকা উত্তোলন করেন তিনি। এ সময়ে আইজ্যাক হারজগ তার পাশেই ছিলেন।

মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যতের শান্তি সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার দিকে অগ্রযাত্রায় এই দূতাবাস উদ্বোধনকে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে আখ্যায়িত করেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ।

তিনি বলেন, তেলআবিবে গর্বের সঙ্গে আমিরাতের পতাকা উড়ছে, যা বছরখানেক আগেও স্বপ্ন বলে মনে করা হতো। আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করে দিয়েছি।

গত সপ্তাহে ইসরায়েলের একাদশ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন হারজগ। এ রকম ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারায় তিনি গর্ব প্রকাশ করেছেন।

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন হারজগ। তাদের উদ্যোগেই দুদেশের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আঞ্চলিক চুক্তি বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

গত মাসে আবুধাবিতে ইসরায়েলের অস্থায়ী দূতাবাস ও কনস্যুলেট উদ্বোধন করে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়ার লাপিড বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর দুদেশের বাণিজ্য ৬৭ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আরও অনেক চুক্তির প্রত্যাশা করেছেন।

আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বলেন, এটি কেবল শুরু। এখন বাণিজ্য ও বিনিযোগ চুক্তি ছাড়াও হাসপাতাল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। দূতাবাস কেবল রাষ্ট্রদূতদের আবাসস্থলই হবে না, বরং একটি অব্যাহত মিশনের ভিত্তি হবে।

তবে এই আঞ্চলিক সম্পর্ক স্থাপনের নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনিরা। তারা ইসরায়েলি দখলদারিত্ব মুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দশকের পর দশক ধরে লড়াই করে আসছে।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।