ছবি: সংগৃহীত
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, বাহরাইনে মার্কিন নৌবহর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে এমন একটি বিমানঘাঁটিতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত এখনো চলমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে আরও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের জাস্ক, সিরিক ও কেশম দ্বীপে হামলা চালিয়েছে। এতে সিরিকের বেমানি এলাকায় একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুটি পানির ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে।
আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, জর্ডানের ওই বিমানঘাঁটিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে, যার মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল কেন্দ্র রয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানের হরমুজ প্রণালিতে একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পর তারা ‘সমানুপাতিক প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২১টি মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে এবং একটি মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে এবং আগত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা চলছে। নাগরিকদের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।




