ফাইল ছবি
ভারতের শিল্পপতি গৌতম আদানি আবারও এশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির অবস্থান ফিরে পেয়েছেন। আদানি গ্রুপভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দর বৃদ্ধির ফলে তার সম্পদ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
ফোর্বসের রিয়েল-টাইম বিলিয়নিয়ার তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। এর মাধ্যমে তিনি ৮৮ বিলিয়ন ডলারের মালিক ভারতীয় মুকেশ আম্বানি এবং ৮৭ বিলিয়ন ডলারের মালিক সফটব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা জাপানি ধনকুবের মাসায়োশি সনকে পেছনে ফেলে এশিয়ার শীর্ষ ধনী হয়েছেন।
শুক্রবার আদানি গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ায় তার সম্পদ একদিনেই প্রায় ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে আদানি গ্রিন এনার্জি, আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি পোর্টস, আদানি পাওয়ার ও আদানি এনার্জি সলিউশনসের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আদানি গ্রুপকে ঘিরে আইনি অনিশ্চয়তা কমে আসা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসায় কোম্পানিগুলোর বাজারমূল্য বেড়েছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা কিছু অভিযোগ প্রত্যাহারের খবরের পর থেকেই তার সম্পদ প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে আদানি গ্রুপের ছয়টি প্রধান কোম্পানির সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ১৯১ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান প্রতিষ্ঠান আদানি পাওয়ার। এছাড়া আদানি পোর্টস, আদানি এন্টারপ্রাইজেস, আদানি গ্রিন এনার্জি, আদানি এনার্জি সলিউশনস এবং আদানি টোটাল গ্যাসও গ্রুপটির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মার্কিন শর্ট-সেলার প্রতিষ্ঠান হিনডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ার কারসাজি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলে। তবে আদানি গ্রুপ শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। পরবর্তীতে ভারতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পায়নি বলে জানায়।
বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
এ ছাড়া ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পসংক্রান্ত একটি ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগেও আদানির নাম উঠে আসে। তবে তিনি ও তার সহযোগীরা এসব অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেছেন।




