ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় হয়।বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বার্তায় সার্জিও গর বলেন, আজ আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার এবং আমাদের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার বড় সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অগ্রাধিকার এবং একসঙ্গে কাজ করলে আমরা বাস্তব ফল অর্জন করতে পারব।
বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বার্তায় সার্জিও গর বলেন, আজ আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার এবং আমাদের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার বড় সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি অগ্রাধিকার এবং একসঙ্গে কাজ করলে আমরা বাস্তব ফল অর্জন করতে পারব।
বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও মাহদি আমিন, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনসহ দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বাংলাদেশ সংবাদ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি মার্কিন সরকারের দৃঢ় আস্থার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। এ আস্থার প্রতিফলন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সম্পর্কিত বিদ্যমান ভ্রমণ সতর্কতা ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে, যা মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত দেশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে।
বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। সার্জিও গর কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে। এ জন্য তিনি মার্কিন সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জবাবে সার্জিও গর রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশে টেস্টিং কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করতে উভয় পক্ষ সম্মত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি সয়াবিন, তুলা, গমসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের সংরক্ষণাগার (ওয়্যারহাউজ) নির্মাণে মার্কিন বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগ দেশের সরবরাহ ব্যবস্থা (সাপ্লাই চেইন) আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তিনি তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তুলে ধরেন। জবাবে সার্জিও গর বলেন, এ খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে দেশটি পিএএক্স সিলিকা উদ্যোগের অংশীদার হতে পারে।




