Bahumatrik | বহুমাত্রিক

সরকার নিবন্ধিত বিশেষায়িত অনলাইন গণমাধ্যম

শ্রাবণ ২৯ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় মৃত্যু বেড়ে ৮

বহুমাত্রিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:২৩, ১৪ আগস্ট ২০২৬

প্রিন্ট:

সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় মৃত্যু বেড়ে ৮

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় স্ক্র্যাপ জাহাজের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে ১০জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ড ও রিসাইক্লিং কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন-সানি জলদাস, পলাশ জলদাস এবং দুই সহোদর মনসুর আলী ও নাসির উদ্দিন। সবাই ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে মানুষের চিৎকার শোনা যায়। পরে তারা সেখানে গিয়ে কয়েকজন অসুস্থ শ্রমিককে গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখেন। জাহাজের ভেতরে কয়েকজন শ্রমিকের মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে কারখানায় ঢুকে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কারখানা মালিকের প্রতিনিধি মো. মহিউদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, এখন কারখানার বাইরে রয়েছি। কারখানা থেকে জেনেছি জাহাজে থাকা ছয় থেকে আটজন কর্মী অসতর্কতায় বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ইশতিয়াক রহমান জানান, ওই কারখানা থেকে দুই দফায় সাতজনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে। তাদের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। অপরজনকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদিকে ঘটনাস্থলে দুজনের লাশ রয়েছে বলে জানান সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর।

সকালে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন বলে জানিয়ে ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ড ও রিসাইক্লিং কারখানায় যে জাহাজ কাটা হচ্ছে, সেটি এলএনজি বহন করত। এ ধরনের জাহাজগুলো আগে গ্যাসমুক্ত করে তারপর কাটতে হয়। কিছু কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড থাকতে পারে। তিনি বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ ট্যাংক গ্যাসমুক্ত না করে কাটার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। 

Walton
Walton