Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৭:৪৯ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

রাজধানীতে প্রয়োজন নগরীয় কৃষক লীগ


১৬ অক্টোবর ২০১৯ বুধবার, ০৫:২০  পিএম

নিতাই চন্দ্র রায়

বহুমাত্রিক.কম


রাজধানীতে প্রয়োজন নগরীয় কৃষক লীগ

সম্প্রতি (৫ অক্টোবর) দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘ রাজধানীতে কৃষক লীগের কী কাজ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদটির মূল বক্তব্য হলো- রাজধানীতে কার্যত কোনো কৃষি জমি নেই। কৃষকও নেই। কিন্তু কৃষক লীগের পদধারী নেতা আছে আট হাজার। যেসব নেতা মূল দলে জায়গা পান না তাদের সন্তুষ্ট রাখতেই কৃষক লীগ, তাঁতী লীগের মতো সহযোগি সংগঠনে স্থান দেয়া হয়। এতে তাঁরা রাজনৈতিক পরিচয় পান। সেই সূত্র ধরে নানা রকম স্বার্থ হাসিল ধান্দা ও তদবির করে থাকে এসব নেতারা।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের( সুজন) মতে, রাজধানীতে এ ধরনের সংগঠনের কোনো প্রয়োজন নেই। এটা ফায়দা ভিত্তিক রাজনীতির ফল। কোনোভাবে সরকারি দলের সাথে সম্পৃক্ততা বা সাইনবোর্ড রাখা গেলে নানা ধরনের অন্যায় করে পার পাওয়া যায়। সংবাদে আরও বলা হয় কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ১১ সদস্যের। প্রাক্তন ছাত্র নেতা মোতাহার হোসেন মোল্লা, যার পেশা ঠিকাদারী ব্যবসা, কৃষি ও কৃষকের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, তিনি হলেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শামছুল হক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। এছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির অধিকাংশ নেতাই ব্যবসায়ী। আবার ১৫ জন আইনজীবী। একজন সাংবাদিক। কয়েকজন শিক্ষক এবং কৃষিবিদ আছেন।

ঢাকা শহরে কৃষক না থাকা সত্ত্বেও এখানে কৃষক লীগের মতো সংগঠন কাজ করে? সে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি। তিনি নিজেও এক সময় কৃষক সংগঠন করতেন। তার মতে, কৃষক সংগঠকেরা শহরে বড় হতে পারেন, মধ্যবিত্তের অংশ হতে পারেন। কিন্তু কৃষক সংগঠন করতে হলে তাকে অবশ্যই গ্রামে যেতে হবে। ঢাকা শহরে বসে কৃষক সংগঠন হতে পারে না। তিনি মাওলানা ভাষানীর সঙ্গে এক সময় কৃষক সংগঠন করেছেন। তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়শোনা করে গ্রামে চলে যেতেন।

কৃষকের পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে জেল খাটতে হয়েছে তাকে। এখন যাদের কৃষক নেতা হিসেবে দেখা যায়, তারা কৃষকের স্বার্থে কী করছেন? কোনো দাবির পক্ষে লড়াই- সংগ্রাম করছেন, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। আওয়ামীলীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিমও বলেন, গ্রামে-গঞ্জে কৃষকদের সংগঠিত করতে কৃষক লীগের জন্ম হয়েছে। ঢাকায় কেন্দ্রীয় কমিটি থাকতে পারে। কিন্তু আবাসিক এলাকায় বিশেষ করে ঢাকা শহর বা বিভাগীয় শহরে কৃষক লীগের শাখা থাকার তো কোনো যুক্তি নেই।

আমাদের দুঃখ সেখানেই । স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ, আইন প্রণেতা এমনকি রাজনৈতিক দলের বড় বড় নেতারা এবং প্রথম আলোর মতো পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ত সাংবাদিকগণ জানেন না যে, পৃথিবীর অনেক দেশ নগরীয় কৃষির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় উল্লেখযোাগ্য অবদান রাখছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিভাগ ( এফএও) পৃথিবীর সকল দেশে নগরীয় কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের আহবান জানিয়েছে। বন্ধু গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকার বিষয়ে গবেষক মোশাররফ হোসেন মুসা প্রথম আলোতে প্রকাশিত এ সংবাদটি পড়ে ‘ প্রথম আলোর মূর্খতা ও রাজনীতিবিদদের অজ্ঞতা’ শিরোনামে তার ফেইজ বুক ওয়ালে লিখেন, ‘রাজনীতিবিদদের কাছে শহর মানে কৃষি শূন্য এলাকা।তাদের ভাবনায় নেই- কৃষিতে বিভিন্ন প্রযুক্তি আবিস্কারের সঙ্গে সঙ্গে নগরীয় কৃষি এসে গেছে। সেজন্য দরকার নগর কৃষিবিদ। নগর কৃষির জন্য দরকার নগরীয় কৃষি লীগ, নগরীয় কৃষি দল ও নগরীয় কৃষি সমিতি ইত্যাদি।’

মানুষের মাথাপিছু আয়, শিক্ষার হার ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাাথে সাথে পৃথিবীতে নগর ও নগরবাসীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, শিল্পায়ন , বাড়িঘর, রাস্তাঘাট নির্মাণ ও নদীভাঙ্গনের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে শতকরা প্রায় একভাগ হারে কমছে কৃষি জমি। জনসংখ্যা বাড়ছে শতকরা ১.৩৭% হারে। এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে এক সময় কৃষির জন্য কোনো জমি অবশিষ্ট থাকবে না। তখন বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করেও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে না। বর্তমানে মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ নগরে বসবাস করে।

জনসংখ্যার এই বিরাট অংশকে কৃষি কর্মকা-ের বাইরে রেখে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা কোনো অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই নগর ও তার আশেপাশে নগরীয় কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। নগরীয় কৃষি হলো নগর ও তার আশপাশে নগরবাসীর জন্য প্রয়োজনী খাদ্য উৎপাদন। নগরের ছাদ বরান্দা, অফিস আদালত, স্কুল-কলেজ শিল্পকারখানার খালি জায়গায়, শাক-সবজি, ফলমূলও দানা শস্য উৎপাদন , চৌবাচ্চা ও মিনি পুকুরে মাছ চাষ এবং হাঁস-মুরগী, গরু -ছাগল পালন, এবং মাশরুম চাষ -এর সব কিছুই নগরীয় কৃষির অন্তর্ভুক্ত। নগরীয় কৃষির অনেক সুবিধা আছে।

নগরীয় কৃষি পরিবেশবান্ধব ও জ্বালানী সাশ্রয়ী। নগরের বর্জ্য থেকে উৎপাদিত জৈব সার ও বিদ্যুত নগরীয় কৃষিতে ব্যবহার করা হয় । ফলে বর্জ্যের দুর্গন্ধ থেকে নগর মুক্ত থাকে এবং নগরবাসীও পায় ভেজাল ও রাসায়নিক সার মুক্ত টাটকা শাকসবজির স্বাদ। উৎপাদিত অতিরিক্ত শাকসবজিও ফলমূল বিক্রি করে নগরীয় কৃষক বাড়তি অর্থ আয়ের সুযোগ পান। ছাদে বাগান করার ফলে ঘরের তাপমাত্র সাত থেকে আট ড্রিগ্র হ্রাস পায় এবং পরিবেশও থাকে শীতল। এছাড়া শিল্প কারখানার তরল বর্জ্য পানি শোধন করে তা নগরীয় কৃষি ও মাছ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায়ও নগরীয় কৃষির যতেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। নগরীয় কৃষির কারণে বায়ু ও শব্দ দূষণ বহুলাংশে হ্রাস পায়।

২০১৮ সালের নির্বাচনে বর্তমান সরকারের অঙ্গিকার ছিল গ্রাম হবে শহর। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে ২০১৭ সালে দেশে নগরবাসীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৮৭ লাখ। এ সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ৮ কোটি ৫৯ লাখে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ১১ কোটি ৮০ লাখে উন্নীত হবে। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে পাবনার এক নির্বাচনী জন সভায় শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আওয়ামীলীগ যদি আগামীতে আবার ক্ষমতায় যায় , তবে গ্রামের প্রত্যেক জনগোষ্ঠিকে শহরের সুবিধা দেয়া হবে। পর্যাক্রমে দেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরে / নগরে রূপান্তর করা হবে।প্রধানমন্ত্রীর এ ঘোষণা সত্যই অভিনন্দন যোগ্য।প্রধাণমন্ত্রীর সেই ঘোষণাকে বাস্ততবে রূপ দিতে হলে এখনই থেকে গ্রামীণ কৃষির পাশাপাশি পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব নগরীয় কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন টেকসই প্রযুক্তি , দক্ষ জনশক্তি, প্রশিক্ষিত নগরীয় কৃষক, কৃষক সংগঠন ও নগরে উৎপাদিত কৃষি পণ্য বিক্রির জন্য আলাদা বাজার ব্যবস্থা।নগরীয় কৃষি পণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ শিল্প প্রতিষ্ঠা। বর্তমানে গ্রামের প্রতিটি ইউনিয়নে তিন জন করে উপসহকাী কৃষি কর্মকর্তা আছেন। আর পৌরসভাগুলিতে মাত্র একজন করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রয়েছেন, তাদের নগরীয় কৃষি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণ নেই।নেই কোনো বাস্তব জ্ঞান। তাদের কাছে কৃষি বলতে বুঝায় গ্রামীণ কৃষি; নগরীয় কৃষি নয়।

পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৫৫ শতাংশ লোক নগরে বসবাস করে ২০৫০ সালের মধ্যে ৬৮ শতাংশ লোক নগরে বসবাস করবে। ১৯৫০ সালে পৃথিবীতে নগরবাসীর সংখ্যা ছিল ৭৫ কোটি ১০লাখ । বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২০ কোটিতে। উত্তর আমেরিকায় ৮২ শতাংশ, ল্যাটিন আমেরিকায় ৮১ শতাংশ, ইউরোপে ৭৪ শতাংশ লোক বর্তমানে নগরে বসবাস করে। সে তুলনায় এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশে নগরবাসীর সংখ্যা কম। বর্তমানে এশিয়া মহাদেশে শতকরা ৫০ শতাংশ এবং আফ্রিকা মহাদেশে শতকরা ৪৩ শতাংশ লোক নগরে বসবাস করে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রামসহ দেশের নগরগুলিতে বর্তমানে ৫ লাখেরও বেশি কৃষি খামার গড়ে উঠেছে।

এসব খামারে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ফলমূল, শাকসবজি, মাছ-মাংস , দুধ-ডিম, মুরগীর বাচ্চা, মাছের পোনা ও টিসু কালচার পদ্ধতিতে উন্নত মানের চারা উৎপাদন হচ্ছে । ঢাকা নগরে বর্তমানে বহু ডেইরি ফার্ম আছে। ছাদ ও বসত বাড়িতে ৫০ হাজারের মতো সবজি ও ফল বাগান রয়েছে। ছাদে বাগান তৈরী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে নগর থেকে নগরান্তরে। রাজশাহী নগরে উন্নতমানের ভাইরাস মুক্ত আলু বীজ, ফুল ও ফলের চারা উৎপাদনের জন্য ২০ টিরও অধিক টিসু কালচার ল্যাব স্থাপিত হয়েছে। নগরীয় কৃষির এই অগ্রযাতত্রাকে ত্বরান্বিত করতে হলে নগর এলাকায় মান সম্মত বীজ, জৈব সার, জৈব বালাই নাশক, মাছের পোনা, হাঁস-মুরগীর বাচ্চা পোল্ট্রি ফিড, মাছের খাবার, পশুখাদ্য এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহ বাড়াতে হবে। উদ্যোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।

বর্তমানে পৃথিবীর কমপক্ষে ৮০ কোটি লোক কোনো কোনো নগরীয় খাদ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত। বিগত দুই দশক ধরে পৃথিবীর বহু ধনী ও দরিদ্র দেশে নগরীয় কৃষির কার্যক্রম ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এশিয়া , আফিকা, ল্যাটিন ও উত্তর আমেরিকায় লাখ লাখ নগরবাসী তাদের বাড়ি ভিটায়, বহুতল বাড়ির ছাদে, বারান্দায় রাস্তার পাশে নগরের অব্যবহৃত খালি জায়গায়, যৌথ কৃষি খামারে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন ও প্রাণি পালন শুরু করেছে আমেরিকা, ভারত , চীনও কিউবায় নগরীয় কৃষি বেশ সুনাম অর্জন করেছে। পৃথিবীতে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্যের শতকরা ১৫ থেকে ২০ ভাগ উৎপাদিত হচ্ছে নগরে। ভিয়েতনামের হেনয়ে বসবাসকারী লোকজন তাদের প্রয়োজনের শতকরা ৮০ ভাগ টাটকা শাকসবজি, ৫০ ভাগ মাছ মাংশ এবং ৪০ ভাগ ডিম নগরের নিজস্ব খামারেই উৎপাদন করছেন। চীনের সাংহাইয়ে চাহিদার শতকরা ৬০ ভাগ শকসবজি, ১০০ ভাগ দুধ ৯০ ভাগ ডিম এবং ৫০ ভাগ মাংস উৎপাদিত হয় নগরীয় কৃষির মাদ্যমে। নগরীয় কৃষি নগরের দারিদ্র্য ও খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাসরে, পুষ্টি সমস্যার সমাধান করে। পরিবেশ উন্নয়নে অবদান রাখে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে নগরবাসীকে রক্ষা করে।

যদি ভিয়েতনাম, চীন, কিউবা নগরীয় কৃষির মাধ্যমে নগরবাসীর খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে । দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারে। নগরের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। তা হলে আমরা পারবো না কেন? আমাদেরও পারতে হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজন রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং নগর পরিকল্পনায় কৃষিকে অন্তর্ভুক্ত করা। জাতীয় কৃষি নীতিতে নগরীয় কৃষিকে গুরুত্ব দেয়া।

নগরীয় কৃষি কর্মকান্ড প্রসারের জন্য ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানো। নগরীয় কৃষিকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা। নগরীয় কৃষি নিয়ে গবেষণা করার জন্য প্রতিটি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানে নগরীয় কৃষি নামে বিভাগ খোলা। কৃষি অধিদপ্তরের অধীনে আলাদা নগরীয় কৃষি পরিচালকের পদ সৃষ্টি করা। কৃষি অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নগরীয় কৃষিবিদের পদ সৃষ্টি করা এবং বাজেটে নগরীয় কৃষির জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা। আমার বিশ্বাস এসব কর্মকা-র মাধ্যমে দেশে নগরীয় কৃষির প্রসার ঘটবে । খাাদ্য, পুষ্টি নিরাপত্তা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষিত হবে। ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ পরিণত হবে একটি উন্নত দেশে।

নিতাই চন্দ্র রায় : সাবেক মহাব্যস্থাপক(কৃষি); নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস্ লিঃ, গোপালপুর , নাটোর
মোবাইলঃ ০১৭২২৬৯৬৩৮৭, ইমেইলঃ [email protected] 

 

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।