Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
২ পৌষ ১৪২৬, সোমবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

পথচারীদের সড়ক পারাপারে সচেতন করতে ডিএনসিসি মেয়রের প্রচারাভিযান


১৮ নভেম্বর ২০১৯ সোমবার, ০৬:২৪  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


পথচারীদের সড়ক পারাপারে সচেতন করতে ডিএনসিসি মেয়রের প্রচারাভিযান

ঢাকা : পথচারীদের সড়ক পারাপারে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রচারাভিযান চালিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।

তিনি আজ মোহাম্মদপুরের আসাদ এভিনিউতে গ্রীন হেরাল্ড স্কুলের সামনে প্রচারাভিযান চালান। চলচ্চিত্র অভিনেতা ও ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়াস কাঞ্চন এ প্রচারাভিযানে যোগ দেন। ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে তারা পথচারী ও গাড়িচালকদের মধ্যে প্রচারপত্র বিতরণ করেন এবং ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলার বিষয়ে গাড়ি চালকদের পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

গ্রীন হেরাল্ড স্কুলের সামনে ডিএনসিসি স্থাপিত পুশ-বাটন চেপে সড়ক পার হওয়ার জন্য মেয়র পথচারী ও গাড়িচালকদের কাউন্সেলিং করেন। এসময় সিগন্যাল পয়েন্টে দাঁড়িয়ে পথচারীদের সচেতন করতে চার ধরনের লিফলেট বিতরণ করেন ডিএনসিসি মেয়র। এর মধ্যে চালকের জন্য বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা দুই ধরনের, পথচারীদের জন্য এক ধরনের এবং ট্রাফিক আইন ও দন্ডসমূহ সম্পর্কে অবগত করতে আরেক ধরনের লিফলেট বিতরণ করা হয়।

প্রচারাভিযানকালে মেয়র সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় কেউ আইন ভঙ্গ করে না। কারণ সেখানে আইন ভঙ্গ করলে বড় ধরনের জরিমানা ও শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু একই চালক ক্যান্টনমেন্টের বাইরে আসলে আইন অমান্য করে। ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এক ধরনের আচরণ এবং বাইরে আরেক ধরনের আচরণ হতে পারে না। সারা বিশ্বেই কঠোরভাবে আইন মানা হয়। সবখানেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রয়েছে। এর মূল কারণ আইন অমান্য করলে কঠিন শাস্তি এবং বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়।’

তিনি বলেন, মানুষ যেন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় এবং আইন মেনে চলে সেজন্যই শাস্তি এবং জরিমানা বাড়িয়ে নতুন আইন করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, ‘ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার পরে অনেকে ক্ষমতা প্রয়োগ করার চেষ্টা করেন। আইন ভঙ্গকারীরা নিজের বা পরিচিত ক্ষমতাবানদের পরিচয় দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেন। এমন কর্মকান্ড থেকে জনগণকে বিরত থেকে আইন মেনে চলতে আহ্বান জানিয়েছেন।’

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হলে এ বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিতে হবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা চালু করতে হবে। রাস্তায় শুধু ট্রাফিক থাকলে হবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ার থাকতে হবে। তাহলে সুস্থ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা হবে।

প্রচারাভিযানকালে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম রতন, ডিএনসিসির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের কর্মকর্তা ও পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।