Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
২১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭, শনিবার ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ৫:৪০ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

জবির বেদখল হল উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ


৩০ অক্টোবর ২০২০ শুক্রবার, ১২:২৬  এএম

জবি প্রতিনিধি

বহুমাত্রিক.কম


জবির বেদখল হল উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সকল বেদখল হল উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। হাজী সেলিম কর্তৃক দখলকৃত তিব্বত হলসহ জবির বেদখল হল উদ্ধারের দাবিতে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর, ২০২০) বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে’ মানববন্ধনে অংশ নেন শিক্ষার্থীরা। এসময় স্লোগান ও প্লেকার্ড হাতে দখলদারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। এই সময় নানা ধরনের দাবি ও চাওয়া তুলে ধরেন।

‘এই সেলিম তুই হল ছাড়, হল কি তোর বাপ দাদার’ ‘দখলদার নিপাত যাক, জবি হল ফিরে পাক’ সহ নানা স্লোগানে ক্যাম্পাস মুখর করেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি জবির প্রধান ফটক থেকে শুরু করে কাঁঠালতলায় গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে অংশ নেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মিশু বলেন, আগামী এক যুগের মধ্যে নতুন ক্যাম্পাসে হল পাওয়া আর রূপকথার গল্প দুটোই সমার্থক। অথচ হল তো দূরের কথা পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্লাসরুমই নেই আমাদের। প্রশাসনের যদি স্বদিচ্ছা এবং শিক্ষার্থীবান্ধব হয় আমরা মনে করি দ্রুতই হল উদ্ধারে পদক্ষেপ নিবে। হাজী সেলিমের লাঠিয়াল বাহিনীকে যে জবি প্রশাসন ভয় পায়না তার প্রমাণ হবে উদ্ধারের মাধ্যমে এই আশায় আছি।

এই বিষয়ে সাধারন শিক্ষার্থী নয়ন খান বলেন, একটি পাবলিক ইউনিভারসিটিতে হল থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আমরা এখানে পড়তে আসি কিন্ত এসেই থাকা খাওয়ার জন্য টিউশন সহ পার্ট টাইম জব করতে হয়। হল থাকলে এসব করতে হত না। আমরা হল ফেরত চাই।

উল্লেখ্য, কলেজ থাকাকালীন সময়ে জগন্নাথে হল ছিল ১২টি। কিন্তু ১৯৮৫ সালে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে হলগুলো বেদখল হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের পরও এসব হল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আবাসিক সংকট নিয়ে চলতে চলতে ২০১৪ ও ২০১৬ সালে আবারো বড় দুইটি হল অন্দোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

পুলিশের টিয়ার গ্যাস-রাবার বুলেটের নির্যাতন সহ্য করেও সফল হতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। ছাত্রদের থাকার সুবিধার্থে ডিসেম্বর, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত সর্বমোট ১০টি হল বা ছাত্রাবাস রয়েছে। উল্লেখ্য এই সবগুলো হলই বেদখল হয়ে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পূর্ব থেকেই। জানা যায়, হলগুলো প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের অবৈধ দখলে রয়েছে।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।