Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০, ২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

কমলগঞ্জে মানা হয়নি তারাবির নির্দেশনা, ইফতারি হচ্ছে হোটেলে


২৫ এপ্রিল ২০২০ শনিবার, ০৩:৪৪  পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুমাত্রিক.কম


কমলগঞ্জে মানা হয়নি তারাবির নির্দেশনা, ইফতারি হচ্ছে হোটেলে

মৌলভীবাজার : করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনায় রমজানের তারাবীর নামাজে মসজিদে ইমামসহ সর্বোচ্চ ১২ জন মুসল্লী নামাজ পড়ার কথা। শুক্রবার রাতে প্রথম তারাবীর নামাজে কমলগঞ্জ উপজেলা সদর, শমশেরনগর, পতনউষারসহ বাজারের কিছু কিছু মসজিদ ও এর গ্রামের মসিজদগুলোতে মুসল্লিদের ঢল নামতে দেখা গেছে।

শনিবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের গ্রাম্য মসজিদে মুসল্লিরা ভিড়ের মধ্যেই তারাবীর নামাজ আদায় করেন। এদিকে কিছু কিছু হোটেল রেস্তোরায়ও ইফতারি সামগ্রী তৈরী শুরু করেছে।

শুক্রবার বিকেলে সরকারি নির্দেশনায় জানানো হয় রমজান মাসে প্রতিটি মসজিদে ইমাম, মোয়াজ্জিন বা আরও এক ইমামসহ মোট ১২ জন মুসল্লীর উপস্থিতিতে তারাবীর নামাজ আদায় করা যাবে। আর এ নির্দেশনা সকল মসজিদ কমিটিকে মেনে চলতে হবে। তবে টিভির খবরে প্রচারনায় ও উপজেলা প্রশাসন থেকে বিষয়টি ইউনিয়ন পর্যায়ে সকল মসজিদে অবহিত করলেও রাতে মসজিদ গুলোতে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। সরকারি কোন তদারকি না থাকায় মুসল্লিদের ভিড় লক্ষ করা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমলগঞ্জ থানা জামে মসজিদ, ভানুগাছ বাজার মসজিদ, উপজেলা প্রশাসন মসজিদ, শমশেরনগর বাজারের বড় বড় মসজিদে তারাবীর নামাজে সরকারি নির্দেশনা কিছুটা মানা হয়। তবে রহিমপুর, পতনউষার, মুন্সীবাজার, শমশেরনগর, কমলগঞ্জ,আলীনগর, আদমপুর, মাধবপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের সবগুলো গ্রামের মসজিদে মুসল্লিদের ব্যাপক উপস্থিতিতেও নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদ ইমামরা বিষয়টি নিয়ে মুসল্লিদের অবহিত করেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে সবগুলো হোটেল রেস্তোরা বন্ধ থাকার নির্দেশনা থাকলেও রমজান মাসে মিষ্টি, জিলাপি, নিমকিসহ সু-স্বাদু ইফতারী সামগ্রী তৈরী করে হাট-বাজারের কিছু কিছু হোটেল রেস্তোরায় বিক্রি শুরু হয়েছে। হোটেল রেস্তোরার সামনের একটি সাটার খোলে ভিতরে ইফতার সামগ্রী তৈরী করতে শুরু করেন হোটেল রেস্তোরা মালিকরা। পার্শেলে ইফতার সামগ্রী বিক্রির কথা হোটেল রেস্তোরার মালিকরা জানালেও অনেক দোকানের সামনে সাজিয়ে বিক্রি করছেন তৈরী ইফতার সামগ্রী।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল বলেন, করোনা প্রতিরোধে প্রধান শর্ত হলো কোথাও যেন লোক সমাগম না হয়। এজন্য মসজিদে নামাজ আদায়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তারপরও মানুষজন কেন এ নিয়ম মানছেন না সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মসজিদে ১২ জনের বেশী মুসল্লী তারাবীর নামাজে থাকতে পারবেন না। হোটেল রেস্তোরা খুলে ইফতার সামগ্রী তৈরীর উপর নিষেধজ্ঞা রয়েছে। এই দুটি বিষয়ে তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea

অসঙ্গতি প্রতিদিন -এর সর্বশেষ