Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
২৬ আষাঢ় ১৪২৭, শনিবার ১১ জুলাই ২০২০, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ

যেন রবীন্দ্র-নজরুলকে ছাড়িয়ে না যাই

যেন রবীন্দ্র-নজরুলকে ছাড়িয়ে না যাই

ভাষা পরিবর্তনশীল। এটি সর্বজন স্বীকৃত। সে পরিবর্তন হবে যৌক্তিক, নান্দনিক, ক্ষেত্রবিশেষে ঐতিহ্যমন্ডিত এবং ব্যবহারে তুলনামূলক সুবিধাজনক। বিকৃতি ও এক ধরনের পরিবর্তন, কিন্তু সেটা তো কারো কাম্য নয়।

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় অধ্যাপক সামসুজ্জামানকে অশ্রুসিক্ত বিদায়

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় অধ্যাপক সামসুজ্জামানকে অশ্রুসিক্ত বিদায়

বুধবার জানাজা শেষে যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি ছাতিয়ানতলা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয় তাকে

থাকবেন দিশারী হয়ে

থাকবেন দিশারী হয়ে

জীবন পরিক্রমা থেমে গেল যে চলমান বৃক্ষের,/সে বৃক্ষের নাম-অধ্যাপক ম. সামসুজ্জামান

কথাসাহিত্যিক মকবুলা মনজুরের জীবনাবসান

কথাসাহিত্যিক মকবুলা মনজুরের জীবনাবসান

শুক্রবার বিকালে রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি।

বাংলা একাডেমির নতুন সভাপতি শামসুজ্জামান খান

বাংলা একাডেমির নতুন সভাপতি শামসুজ্জামান খান

বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন সাহিত্যিক ও গবেষক শামসুজ্জামান খান। 

কথাসাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য আর নেই

কথাসাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য আর নেই

বাংলা ভাষার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক নিমাই ভট্টাচার্য আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। 

নজরুল গবেষক অধ্যাপক কাইউমের জীবনাবসান

নজরুল গবেষক অধ্যাপক কাইউমের জীবনাবসান

‘পাণ্ডুলিপি পাঠ ও পাঠ-সমালোচনা’, ‘অভিধান’, ‘চক বাজারের কেতাবপট্টি’, ‘উনিশ শতকে ঢাকার সাহিত্য ও সংস্কৃতি’, ‘রত্নাবতী থেকে অগ্নি-বীণা’, ‘সমকালের দর্পণে’, ‘বাঙ্গালী প্রণীত প্রথম বাংলা অভিধান’ এবং ‘নানা প্রসঙ্গে নজরুল’সহ প্রায় ত্রিশটি বই লিখেছেন অধ্যাপক কাইউম। 

যেন না থাকে মননে

যেন না থাকে মননে

জীবন নাকি জীবিকা এখন এই দুয়ের দ্বন্ধ/এর কোন নেই উত্তর কপাল যে ভাই মন্দ,/মানুষজন ফিরতে উদগ্রীব স্বাভাবিক জীবনে/সচেতন হই আতংক যেন না থাকে মননে।

করোনাযুদ্ধে জয়ী হলেন মুনতাসীর মামুন

করোনাযুদ্ধে জয়ী হলেন মুনতাসীর মামুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন।১৬ দিন করােনার সাথে যুদ্ধ করে সোমবার অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন করােনামুক্ত হন। 

প্লেগ ঠেকাতে পথে নেমেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

প্লেগ ঠেকাতে পথে নেমেছিলেন রবীন্দ্রনাথ

অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘জোড়াসাঁকোর ধারে’ গ্রন্থে লিখেছেন, সেই সময়ে কলকাতায় লাগল প্লেগ। চারদিকে মহামারী চলছে, ঘরে ঘরে লোক মরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। রবিকাকা এবং আমরা এবাড়ির সবাই মিলে চাঁদা তুলে প্লেগ হাসপাতাল খুলেছি, চুন বিলি করছি। রবিকাকা ও সিস্টার নিবেদিতা পাড়ায় পাড়ায় ইন্স্পেক্শনে যেতেন। নার্স ডাক্তার সব রাখা হয়েছিল।