Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
১৫ আশ্বিন ১৪২৯, শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

বিল হরিনায় জলাবদ্ধতায় অনাবাদি দুই হাজার বিঘা জমি


২৬ আগস্ট ২০২২ শুক্রবার, ১০:৪৩  পিএম

কাজী রকিবুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুমাত্রিক.কম


বিল হরিনায় জলাবদ্ধতায় অনাবাদি দুই হাজার বিঘা জমি

যশোর সদর উপজেলার হরিণার বিলে জলাবদ্ধতায় প্রায় ২ হাজার বিঘা জমিতে আমন চারা রোপণ করতে পারা নিয়ে অনিশ্চিত রয়েছেন কৃষকরা। এসব জমিতে হাঁটু থেকে কোমড় সমান পানিতে তলিয়ে আছে।

এদিকে হরিণার বিলে একের এক ঘের নির্মাণের কারণে বিলে জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। গতবার জলাবদ্ধতায় প্রায় দেড় হাজার বিঘার আমন চারা জমিতে পচে যায়। সেবার চারা নষ্ট হয়ে চাষিদের কোটির ওপর আর্থিক ক্ষতি হয়। আর এবার বিলের পানি না সরায় আমন চারা রোপণ করতেই পারেননি চাষি। হরিণার বিল অ লের কৃষকদের দাবি, এবার ২ হাজার বিঘার কাছাকাছি জমি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

সূত্র জানায়, বিলের সাড়াঘুটো, বকুলনগর, রূপদিয়া, কালাবাগা, মাহিদিয়া, উত্তর সাড়াপোলসহ কয়েকটি স্থানে ৩০টিরও বেশি ঘের গড়ে উঠেছে। আরও অনেক ঘের গড়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ফলে বৃষ্টি হলেই বিল জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

যাদব কুমার রায় নামে একজন চাষি জানান, বিলে তার ১১ বিঘা জমি আছে। কিন্তু জমিতে এখনও কোমড় সমান পানিতে ডুবে থাকায় আমন চারা লাগাতে পারেননি। তিনি বলেন, গতবার পানি জমে চারা মরে যাওয়ায় বিরাট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আর এবার চারা রোপণই করতে পারেননি।

বিলে ৬ বিঘা জমি রয়েছে কৃষক হযরত আলীর। কিন্তু বছরের বেশিরভাগ সময় সেই জমি পানিতে ডুবে থাকে। বিলের তিন ফসলি এই জমি থেকে বছরে তার একবারের বেশি ফলন আসে না। এ কারণে মাছ ধরে ও অন্য কাজ করে তাকে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়।

বকুলনগর গ্রামের সাইদুর রহমান জানান, বিলে তাদের পরিবারের ৬ বিঘা জমি আছে। কিন্তু বছরের বেশিরভাগ সময় পানিতে ডুবে থাকে। তাই সেখানে চাষাবাদ করা যায় না। তার একটি পাওয়ার টিলার ছিল। সেটা বিক্রি করে ব্যবসা শুরুর পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে ভালো দাম পাননি। তাই মনের দুঃখে সেই পাওয়ার টিলারের ওপর চায়ের দোকান দিয়েছেন।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।