Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
১০ কার্তিক ১৪২৭, রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

‘এক মাস অই গেছে, কেউ খোঁজও নেয়না’


২৭ এপ্রিল ২০২০ সোমবার, ০৪:৪১  পিএম

নূরুল মোহাইমীন মিল্টন, নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুমাত্রিক.কম


‘এক মাস অই গেছে, কেউ খোঁজও নেয়না’

মৌলভীবাজার : ‘সাহায্যের জন্য চেয়ারম্যানের কাছে গেলাম, চেয়ারম্যানরে না পাইয়া ইউএনও’র কাছে দরখাস্ত দিয়া আইছি। এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় একশ’ পরিবার কোন ধরণের সাহায্য পাইনি’-কথাগুলো বললেন কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের কালেঙ্গা দক্ষিণ টিলার দেলোয়ারা বেগম।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘এক মাস অই গেছে, আমাদের কাজকর্ম সব বন্ধ। খুব অভাব অনটনে দিন কাটের। কেউ খোঁজও নেয়না। আমরা দক্ষিন টিলার ৪৫ পরিবারের মাঝে মাত্র ৬ পরিবাররে কিছু চাল দেয়া হইছে। আর কেউ কিছু পাইছি না।’ তবে রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানের দাবী সবগুলো ঘরে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে দেয়া হচ্ছে।

মৌলভীবাজারের পশ্চিম কালেঙ্গার দর্জী শ্রমিক নাইমা আক্তার, সুমু বেগম, দক্ষিণ টিলা গ্রামের শেফালী বেগম, খোদেজা বেগম, ফাইমা বেগম, ফিরোজা বেগম সহ একাধিক কর্মহীন নারীকর্মী জানান, দীর্ঘ একমাস সবধরণের কাজকর্ম বন্ধ থাকায় তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাদের কেউ পাহাড়ে কাজ করেন, কেউ গৃহকর্মী, কেউ ইটভাটায়, কেউ দর্জি শ্রমিক হিসাবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এখন সবকিছু বন্ধ থাকায় কোন উপার্জন নেই।

নারীকর্মীরা বলেন, চেয়ারম্যান, মেম্বারের কাছে অনেক আকুতি মিনতি করার একমাসেও এখন পর্যন্ত একমুঠো চালও পাননি বলে অভিযোগ করেন। তবে মাঝে মধ্যে কেউ কেউ পাঁচ কেজি চাল পেয়েছেন। ফলে কাজকর্ম না থাকায় স্বামী, সন্তান নিয়ে অনাহার, অর্ধাহারে দিন কাটছেন। তাদের সহায়তা প্রদানের জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান।

তবে রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমদ বদরুল বলেন, সবগুলো পরিবারে চাল দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে খাদ্য সহায়তা দেয়া অব্যাহত আছে। ওই ওয়ার্ডে স্থানীয় ইউপি সদস্য ১২৭ জনকে চাল দিচ্ছেন বলে দাবি করেন।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea

বেঁচে থাকার গল্প -এর সর্বশেষ