Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
৮ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, শনিবার ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

আলোচিত বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু


২২ অক্টোবর ২০১৯ মঙ্গলবার, ০৪:৪৫  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


আলোচিত বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু

ঢাকা : রাজধানীর হাতিরঝিলের বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ১৫ তলা এই ভবন প্রথম দিকে ডিনামাইট পদ্ধতি ব্যবহার করে ভাঙার কথা শুনা গেলেও শেষ পর্যন্ত তা সনাতন পদ্ধতিতে ভাঙা হচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এসব তথ্য জানান রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী এ.এস.এম রায়হানুল ফেরদৌস।তিনি জানান, ভবনটিতে বিজিএমইএর যেটুকু মালামাল অবশিষ্ট ছিল, তা সোমবার সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে। এতে সাতদিন সময় লাগবে। তারপরই ভবন ভাঙার কাজ শুরু হবেবাংলাদেশে এর আগে কখনও এত বড় ভবন ভাঙা হয়নি। এক দশক আগে তেজগাঁওয়ের র‌্যাংগস ভবন ভাঙা হয়েছিল, তা বিজিএমইএ ভবনের চেয়ে ছোট ছিল।

তিনি বলেন, এখন বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ এখানে থাকা কিছু জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছে, বিল্ডিংটা ফ্রি করা হচ্ছে। এটা করতে সাতদিনের মতো লাগবে। এরপর থেকেই মূল কাঠামো ভাঙার কাজ শুরু হবে।

পুরো ভবন ভাঙতে কতদিন সময় লাগতে পারে-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী এ এস এম রায়হানুল ফেরদৌস যুগান্তরকে বলেন, মালামাল সরিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়েই আসলে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু হয়ে গেছে। এ কাজ করতে আমাদের ৬ মাস সময় দেয়া হয়েছে। এখন দেখা যাক কতটুকু সময় লাগে।’

ডিনামাইট পদ্ধতি ব্যবহারের কথা শুনা গেলেও এখন সনাতন পদ্ধতিতে কেন ভাঙা হচ্ছে-জানতে চাইলে রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী বলেন, আসলে ডিনামাইট পদ্ধতিতে ভবন ভাঙা ব্যয়বহুল। এজন্য সনাতন পদ্ধতিতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর এই ভবন থেকে যাবতীয় কার্যক্রম এবছরের শুরুতে ঢাকার উত্তরায় নতুন ভবনে সরিয়ে নিয়েছিল বিজিএমইএ।

১৯৯৮ সালে সরকারের কাছ থেকে জমি পেয়ে কারওয়ান বাজারের হাতিরঝিলে ভবন গড়ে তুলেছিল বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

জলাধার আইন লঙ্ঘন করে ভবনটি তোলায় ২০১১ সালে তা ভেঙে ফেলার রায় আসে হাই কোর্ট থেকে। পরে আপিল বিভাগও সে রায় বহাল রাখে।

বিজিএমইএ ভবনটিকে সৌন্দর্যমণ্ডিত হাতিরঝিলের ‘ক্যান্সার’ আখ্যায়িত করেছিল হাই কোর্ট।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।