Bahumatrik Multidimensional news service in Bangla & English
 
৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৩:৫৯ অপরাহ্ণ
Globe-Uro

সেইসব স্থান পরিদর্শনে গিয়ে আবেগাপ্লুত তোফায়েল আহমেদ


২৮ নভেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার, ০১:৫১  এএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


সেইসব স্থান পরিদর্শনে গিয়ে আবেগাপ্লুত তোফায়েল আহমেদ
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা : ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সহায়তায় হোরাসিসের উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কনফারেন্স হোরাসিস এশিয়া মিটিংয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দিতে কলকাতায় গিয়েছিলেন বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদ। 

এই আয়োজনে অংশ নিতে গিয়ে মন্ত্রী সেখানে পরিদর্শনে যান এমন কিছু স্মৃতিময় জায়গা, যেখানে তিনি অবস্থান করে এসেছেন জীবনের স্বর্ণোজ্জ্বল কিছু সময়। মহান মুক্তিযুদ্ধকে পরিচালিত করতে যে ক’জন রাজনৈতিক নেতা কলকাতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তাদের অন্যতম তোফায়েল আহমেদ চার দশকেরও বেশি সময় পর হাজির হন সেই স্থানগুলোতে যার স্মৃতি আজো জ্বলজ্বলে তাঁর স্মৃতিপটে। 

রোববার সকালে তোফায়েল আহমেদ মৌলানা আজাদ কলেজ (পূর্বতন ইসলামিয়া কলেজ)’র বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষ পরিদর্শন করেন। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪৩-৪৭ সালে অবস্থান করছিলেন।

পরে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের প্রধান কার্যালয়, ৮ থিয়েটার রোড, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মকাণ্ডে স্থান ৫৭/৮ বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড এবং মুক্তিযুদ্ধকালে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ (তোফায়েল আহমেদসহ) অবস্থানের ঠিকানা ২২, ভবানীপুরে সানি ভিলা পরিদর্শন করেন। এসময় আবেগময় ভাষায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্মৃতিচারণ করেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক। 

পরে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স হোরাসিস এশিয়া মিটিংয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এ সময় বাংলাদেশে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ এ বিনিয়োগের সুযোগ গ্রহণ করার জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে আগত বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মধ্যমআয়ের দেশ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেছিলেন উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিন্ম মধ্যমআয়ের দেশে প্রবেশ করেছে। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যমআয়ের দেশে প্রবেশ করবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাথে ভারতের বাণিজ্য ব্যবধান অনেক বেশি। নন ট্যারিফ ও প্যারা ট্যারিফ সংক্রান্ত শুল্ক জটিলতার জন্য ভারতে বাংলাদেশের পণ্য আশানুরূপ রপ্তানি হচ্ছে না। বাণিজ্য বাধাসমূহ দূর করা হলে ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রত্যকটি দেশের জন্য আলাদা করে ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০০টি ‘স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশের বিনিয়োগকারীগণ এখানে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীর জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করেছে। বিনিয়োগকারীগণ এখন শতভাগ বিনিয়োগ করতে পারেন এবং যেকোন সময় লাভসহ বিনিয়োগকৃত অর্থ ফিরিয়ে নিতে পারবেন।

সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান হোরায়েসিস’র সভাপতি ফ্রাঙ্ক জুগার রিচারের পরিচালনায় বিশ্বের কয়েকশত বিনিয়োগকারীর উপস্থিতিতে মিটিং এ আরো বক্তব্য রাখেন মিয়ানমারের মান্ডালে অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী জ মিন মং ও ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শ্বাশত গনিকা।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea
Intlestore

বিশেষ প্রতিবেদন -এর সর্বশেষ

Hairtrade