Bahumatrik Multidimensional news service in Bangla & English
 
৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, সোমবার ২০ নভেম্বর ২০১৭, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
Globe-Uro

বন্ধুর যোগাযোগ: রাতারগুল ভ্রমণে আগ্রহ হারাচ্ছেন পর্যটকরা


১১ জুলাই ২০১৫ শনিবার, ০২:৪৪  এএম

ফিচার প্রতিবেদক

বহুমাত্রিক.কম


বন্ধুর যোগাযোগ: রাতারগুল ভ্রমণে আগ্রহ হারাচ্ছেন পর্যটকরা

সিলেট: অনিন্দ্যসুন্দর জলাবন রাতারগুল ‘সিলেটের সুন্দরবন’ নামে পরিচিতি পেয়েছে আগেই। সারা বছর পর্যটকদের আনাগোনা থাকলেও বর্ষায় পানি বাড়ায় প্রকৃতিপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে বেশি। কিন্তু প্রকৃতির টানে বর্ষায় রাতারগুল যাওয়া যেন দুর্ভোগের সাথে মিতালী পাতানোর সামিল।

রাতারগুলে যাওয়ার আরও দুটি বিকল্প পথ থাকলেও বন বিভাগের করা প্রধান রাস্তার অবস্থা এখন বেহাল। প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে অনেক জায়গায় কাঁচা রাস্তার অস্তিত্বই হুমকির মুখে।

এতে রাতারগুল ঘুরতে যাওয়া পর্যটকদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বিশ্বের ২২টি ব্যতিক্রমী মিঠাপানির জলাবনের অন্যতম রাতারগুলের আয়তন তিন হাজার ৩২৫ দশমিক ৬১ একর। এর মধ্যে ৫০৪ একর বনকে ১৯৮৫ সালে বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বিশাল এই বনের গাছগাছালির ৮-১০ ফুট পর্যন্ত বছরের অন্তত সাত মাসই থাকে পানির নিচে। সিলেট নগরী থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে রাতারগুলের অবস্থান সদর উপজেলার সীমানা ঘেঁষে গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নে।

নিজস্ব বা ভাড়া গাড়ি ছাড়াও নগরীর আম্বরখানা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে সাহেববাজার হয়ে রাতারগুল গ্রামে যাওয়া যায়। গ্রাম থেকে পরে হেঁটে যেতে হয় জলাবনের সৌন্দর্য উপভোগে। আবার আম্বরখানা থেকে গাড়িতে মোটরঘাট গিয়ে সেখান থেকে নৌকাযোগে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

রাতারগুল গ্রাম থেকে জলাবনে যাওয়ার জন্য গ্রামবাসী প্রশাসনের সহযোগিতায় কয়েক বছর আগে কাঁচা রাস্তা তৈরি করেন। এই রাস্তারও কয়েক জায়গায় কাদা হয়ে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে বলে জানান রাতারগুল গ্রামের বাসিন্দা ফজলু মিয়া।

চিরিঙ্গী গ্রামের নৌকাচালক সাচ্চা মিয়া বলেন, রাস্তার অবস্থা খারাপ থাকায় এখন প্রায় সবাই নৌকায় রাতারগুলে যাচ্ছেন। বন বিভাগের রাস্তা হয়ে রাতারগুলে গেলে সহজে ওয়াচ টাওয়ারে উঠে পুরো জলাবন দেখার সুযোগ রয়েছে। যদিও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো শুরু থেকেই এই টাওয়ার নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছে।

অনেকেই রাতারগুলকে পিকনিক স্পট হিসেবে মনে করছেন, অনুযোগ করে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ভূমি সন্তান বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক আশরাফুল কবীর বলেন, বন বিভাগের যে রাস্তা রয়েছে তা আসলে বর্ষায় আর রাস্তাই থাকে না। অন্য রাস্তাগুলোর অবস্থাও খারাপ। এতে রাতারগুলে যেতে প্রকৃতিপ্রেমীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea
Intlestore

ভ্রমণ -এর সর্বশেষ

Hairtrade