Bahumatrik :: বহুমাত্রিক
 
৮ আশ্বিন ১৪২৫, রবিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১:০০ অপরাহ্ণ
Globe-Uro

‘বন্দুকযুদ্ধে’ কালু বাহিনী প্রধানসহ তিন বনদস্যু নিহত


০৬ জুন ২০১৮ বুধবার, ০৪:১০  পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক

বহুমাত্রিক.কম


‘বন্দুকযুদ্ধে’ কালু বাহিনী প্রধানসহ তিন বনদস্যু নিহত

খুলনা : সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ময়দাপেষা খাল এলাকায় পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যুদের সাথে কয়রা থানা পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে তিন বনদস্যু নিহত হয়েছে।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বন্দুকযুদ্ধের এই ঘটনা ঘটে। এতে ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ বনদস্যুদের জিম্মায় থাকা অপহৃত ৪ জেলেকে উদ্ধার করেছে।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত বনদস্যুরা হলেন কালু বাহিনী প্রধান আবু সাঈদ মোড়ল ওরফে কালু (৪৭) সহ ৩ বনদস্যু নিহত হয়েছে। বনদস্যু কালু উপজেলার অর্জনপুর গ্রামের মৃত্যু শামছুর মোড়লের পুত্র। নিহত অপর ২ বনদস্যু হলেন গীলা বাড়ি গ্রামের দলিল গাজীর পুত্র আকবার আলী গাজী (৩৪) ও রামপাল উপজেলার হোগলা ডাঙ্গা গ্রামের জব্বার মল্লিকের পুত্র শহিদুল মল্লিক (২৭)।

পুলিশ জানায়,গত ৫ জুন সুন্দবনে মুক্তিপনের দাবিতে ৪ জেলেকে জিম্মি করে কালু বাহিনীর সদস্যরা। ঘটনাস্থল থেকে ১টি দোনলা বন্দুক, ২টি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড বন্দুকের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (৫ জুন) কয়রা সদর এলাকার বীনাপানি ও তেতুঁলতলা গ্রামের বাসিন্দা সুন্দরবনের জেলে হাবিবুর ফকির, বাবু, ফরিদুল গাজী ও মজিবুর গাজীকে মুক্তিপণের দাবিতে সুন্দরবন থেকেই অপহরণ করে বনদস্যু কালু বাহিনী।

বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে কয়রা থানার এসআই আজম, কিশোর, সাইদ, এএসই মোস্তফা, কনস্টেবল কাইয়ুম ও আরিফসহ ৮ পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: এনামুল হক জানান, গত কয়েকদিনে সুন্দরবনের কালু বাহিনী বেশ কয়েকজন জেলেকে মুক্তিপনের দাবিতে অপহরণ করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনে অপহৃত জেলেদেরকে উদ্ধারের জন্য সুন্দরবন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময়ে সুন্দরবন অভ্যন্তরে ময়দাপেষা খালের নিকট পৌছিলে ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে কালুবাহিনীর প্রধান কালুসহ তিনজন নিহত হয়। গোলাগুলির সময়ে পুলিশের সাত সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছে। লাশ কয়রা হাসপাতালে রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আনিচুর রহমান জানান নিহত ডাকাত আবু সাইদ @কালু, আকবর ও শহিদুলের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। এদের মধ্যে ২০১৬ সালে শহিদুল বনদস্যু হিসেবে আত্মসমর্পন করেছিল। পরবর্তীতে কালু বাহিনীতে যোগ দিয়ে পুনরায় ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়ে।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।