Bahumatrik Multidimensional news service in Bangla & English
 
৭ আষাঢ় ১৪২৫, বুধবার ২০ জুন ২০১৮, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
Globe-Uro

প্রবাসী বাংলাদেশীর চোখে ইরানের বিক্ষোভ


০২ জানুয়ারি ২০১৮ মঙ্গলবার, ০২:১৫  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


প্রবাসী বাংলাদেশীর চোখে ইরানের বিক্ষোভ
ফাইল ছবি

ঢাকা : সোমবারও রাতভর বিক্ষোভ হয়েছে ইরান জুড়ে। যদিও দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এই বিক্ষোভকে `কিছুই না` বলে অভিহিত করেছেন।

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বাস করেন অনেক বাংলাদেশী নাগরিক। পাঁচ দিন ধরে চলা বিক্ষোভের আঁচ কতটা পাচ্ছেন তারা?

সেখানে কর্মরত একজন বাংলাদেশি পেশাজীবী মিস্টার শরীফ বলছিলেন, যানবাহনে বা রাস্তায় চলাচলে কোন বিধিনিষেধ নাই।

স্থানীয় পত্রিকায় বিক্ষোভের খবর প্রকাশ হয়নি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম মারফত জানা যাচ্ছে সারা দেশের বিক্ষোভের খরব। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সরকারের সমর্থনে যেসব র‍্যালী হয়েছে, সেগুলো প্রচার হয়েছে।

আর সেসবই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে। তবে, ইরানে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সাধারণ ইরানিদের সহানুভূতি আছে। এর প্রধান কারণ সবাই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে জিনিসপত্রের দাম। সেই সঙ্গে পারমানবিক চুক্তি হবার আগে স্থানীয় মানুষজনের প্রত্যাশা ছিল যে অর্থনীতির অবস্থা ভালো হবে।

কিন্তু প্রত্যাশা মাফিক কোন অগ্রগতি সাধারণ মানুষের জীবনে হয়নি, যা হতাশা তৈরি করেছে।
মিঃ শরীফ জানিয়েছেন, ইরানে বিবিসির সম্প্রচারে সরকার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ফলে খবরের জন্য তারা নির্ভর করছেন আল জাজিরা ও সিএনএনের ওপর।

একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর বেশিরভাগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেটের গতিও ধীর হয়ে গেছে বলে জানাচ্ছেন মিঃ শরীফ।

এর মূল কারণ ইরানে বিক্ষোভকারীরা তাদের প্রতিবাদী কর্মসূচিগুলো ছড়িয়ে দেবার জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোকে, বিশেষত টেলিগ্রাম এবং ইনস্টাগ্রামে।

বিশেষ করে টেলিগ্রাম ইরানে খুবই জনপ্রিয়। দেশটির জনসংখ্যা ৮ কোটি এবং তার মধ্যে ৫০ শতাংশেরও বেশি টেলিগ্রামে সক্রিয়।

এদিকে, বিক্ষোভের পঞ্চমদিনে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা এখনো বিভিন্ন জায়গায় মিছিল সমাবেশ এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন বলে জানা যাচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, দেশটির মূল শহরগুলোর একটিতে সংঘর্ষে একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। কয়েকজন আহত হয়েছেন।

গত বৃহস্পতিবার উত্তর পূর্বের মাশা্দ শহর থেকে শুরু হওয়া ওই বিক্ষোভ গত চার-পাঁচদিনে অনেকগুলো শহরে ছড়িয়ে পড়েছে।

সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত হবার খবর দিয়ে রাষ্ট্রীয় টিভি। যদিও সব মিলিয়ে মোট ১৩জনের মৃত্যুর খবর জানা যাচ্ছে।

জিনিসপত্রের দামবৃদ্ধির মতো অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে এ বিক্ষোভ শুরু হলেও এখন তা রাজনৈতিক চেহারা নিয়েছে এবং এগুলো থেকে ধর্মীয় নেতা-নিয়ন্ত্রিত সরকারকে উৎখাতের ডাকও দেয়া হচ্ছে।-বিবিসি বাংলা

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
ভাগ হয়নি ক' নজরুল
Bay Leaf Premium Tea
Intlestore

প্রবাসপত্র -এর সর্বশেষ

Hairtrade