Bahumatrik Multidimensional news service in Bangla & English
 
৬ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, সোমবার ২০ নভেম্বর ২০১৭, ৭:৪১ অপরাহ্ণ
Globe-Uro

কেমন যাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগামী দিনগুলো?


০১ মে ২০১৭ সোমবার, ০৫:৫৭  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


কেমন যাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগামী দিনগুলো?

ঢাকা : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পেছনে এখন রাষ্ট্র পরিচালনার ১০০দিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট হবার পর তিনি কী করেছেন এবং ভবিষ্যতে তিনি কী করতে পারেন, সে বিষয়গুলো বিচার বিবেচনার জন্য এটাই উপযুক্ত সময়।এখনো পর্যন্ত ট্রাম্প যেসব কাজ করেছেন সেটির অভিজ্ঞতা মোটামুটি মিশ্র।

আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তিনি তেমন কোন সফলতা দেখাতে না পারলেও নির্বাহী আদেশ জারীর ক্ষেত্রে তিনি সফলতা দেখিয়েছেন। বিশেষ করে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে। গত ১০০ দিনে ট্রাম্প গণমাধ্যমের ব্যাপক নজর কেড়েছেন। তার সামনে এখনো ১৩৫০ দিন বাকি আছে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প কতটা সফল কিংবা ব্যর্থ সেটির বিবেচনা করতে এখনো অনেক সময় বাকি।কিন্তু সামনের দিনগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য কী অপেক্ষা করছে? এ প্রশ্ন এখন অনেকেই ভাবতে শুরু করেছেন।

গত ১০০ দিনে ট্রাম্প যেসব কাজ করেছেন তাতে মনে হচ্ছে, যে কোন কিছুই সম্ভব। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সহযোগীরা বলছেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই তার উদ্দেশ্য। অর্থনীতির দিকেই তার বেশি মনোযোগ থাকবে বলে কর্মকর্তারা বলছেন।

২০০৮ সালে অর্থনীতিক মন্দার কালো ছায়া থেকে আমেরিকা এখনো পুরোপুরি বের হতে পারেনি।
নির্বাচনের আগে মি: ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করবেন এবং আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। বিশেষ করে শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের চাকরী এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়ে ট্রাম্প যে ধারণা দিয়েছিলেন সেটি তাকে নির্বাচিত হতে সাহায্য করেছিল।

গত ১০০ দিনে মার্কিন স্টক মার্কেট গতি বিস্তৃত হয়েছে এবং গতি ফিরে পেয়েছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বেড়েছে। কিন্তু ২০১৭ সালের প্রথম তিনমাসে আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০.৭ শতাংশ। এ বিষয়টি অর্থনীতির জন্য একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে চার বছর এখনো লম্বা সময়।

আমেরিকার অভিবাসন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার ব্যাপক কর্তৃত্ব রয়েছে প্রেসিডেন্টের। কিন্তু অভিবাসন বিষয়ে ট্রাম্প এখনো পর্যন্ত যে দুটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেগুলো আটকে দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে মেক্সিকোর সাথে সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের বিষয়ে ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি নিয়ে এখনো বিস্তর আলোচনা ও বিতর্ক চলছে।

আমিরকার অভিবাসন এবং ভিসা প্রক্রিয়া নিয়ে মি: ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত এরই মধ্যে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমেরিকার যে দক্ষ জনশক্তি পেত সেটি বন্ধ হয়ে যাবে কী-না। হোয়াইট হাউজে প্রশাসনিক পদগুলো যেভাবে ধীর গতিতে পূরণ করা হচ্ছে সেটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আরেকটি বৈশিষ্ট্য।

কিন্তু এ বিষয়টি তেমন বড় কোন সমস্যা বলে মনে হয় না। এসব পদ পূরণ করা শুধু সময়ের ব্যাপার। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইলে যে কোন সময় সেটি হতে পারে।

নির্বাচনের আগে মি: ট্রাম্প বলেছিলেন তিনি আমেরিকাকে সবার আগে রাখবেন।আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন যে দুটো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছেন তার একটি হচ্ছে সিরিয়া এবং অপরটি উত্তর কোরিয়া। সিরিয়াতে এরই মধ্যে আমেরিকা ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও চালিয়েছে। আমেরিকা এ কথাও বলেছে, যদি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আশার আল আসাদ বেসামরিক নাগরিকদের হামলার লক্ষ্যবস্তু করে তাহলে আমেরিকাও পাল্টা আঘাত করবে।

যদি প্রেসিডেন্ট আসাদ আমেরিকার সতর্কতার বাইরে গিয়ে কোন কাজ করে তাহলে সিরিয়ায় হামলার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপর চাপ বাড়বে।

অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার পারমানবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচীর বিষয়ে মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এরই মধ্যে জানিয়েছেন যে উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে `কৌশলগত ধৈর্য` ধরার দিন শেষ হয়ে গেছে।
সিরিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সামনে দুটো রাস্তা খোলা আছে। প্রথমত: এ দু`টি দেশ সম্পর্কে তিনি যে মনোভাব দেখিয়েছেন সেটি বাস্তবায়ন করা। অথবা চুপ করে কৌশলগত অবস্থা বজায় রাখা।

তাহলে অনেকেই হয়তো মনে করবেন যে মি: ট্রাম্পের হুমকিগুলো শুধুই ফাঁকা বুলি ছিল।বাণিজ্যের বিষয়ে মি: ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণার সময় অনেক কড়া কথা বলেছিলেন। সামনের দিনগুলোতে সেসব কথার বাস্তবায়ন করার সুযোগ হয়তো তার সামনে থাকবে। বিবিসি বাংলা

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea
Intlestore

সংবাদ বিশ্লেষণ -এর সর্বশেষ

Hairtrade