Bahumatrik Multidimensional news service in Bangla & English
 
৩০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
Globe-Uro

‘এসএমইখাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূল চালিকাশক্তি’


০১ ডিসেম্বর ২০১৭ শুক্রবার, ০৪:১১  পিএম

বহুমাত্রিক ডেস্ক


‘এসএমইখাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূল চালিকাশক্তি’

ঢাকা : বর্তমান সরকার বাংলাদেশের এসএমইখাতে ভ্যালু চেইন উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কৌশল গ্রহণ করেছে।

এসএমই শিল্পখাত জিডিপি প্রবৃদ্ধির শতকরা ২৫ ভাগ, শিল্প কর্মসংস্থানের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ এবং গৃহস্থালি আয়ের শতকরা ৭৫ ভাগ যোগান দিয়ে থাকে।

‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এসএমইখাত মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অবদান রাখছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প রয়েছে, যেগুলো জিডিপি প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখছে। দেশের শিল্প উদ্যোগ ও ব্যবসার প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ এসএমই খাতের আওতাভুক্ত’। কম উৎপাদনশীলতাকে বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

দ্রুত ও টেকসই শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে এসএমই খাতকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
শিল্পমন্ত্রী আজ ভারতে ‘ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেজ’ আয়োজিত ‘বৈশ্বিক মানোন্নয়ন প্রক্রিয়ায় এসএমইখাতকে একীভূতকরণ : চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের প্লেনারি সেশনে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

দু’দিনব্যাপী আয়োজিত ‘২১তম আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সম্মেলন’ উপলক্ষে নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া হ্যাবিটেট সেন্টারে শুক্রবার এ অধিবেশনের আয়োজন করা হয়।

ভারতের ন্যাশনাল রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন-এর চেয়ারম্যান ড. এইচ. পুরুশুথামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীক নেতা, এসএমই শিল্প উদ্যোক্তা, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী, ব্যাংকার, থিংকট্যাংক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন। শুক্রবার ঢাকায় শিল্প মন্ত্রনালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।

আমির হোসেন আমু এসএমই খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল সৃষ্টি, শক্তিশালী ক্রেতা-বিক্রেতা সম্পর্ক স্থাপন, সৃজনশীল ও প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তা তৈরি, পরিবেশবান্ধব আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং নতুন উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ানোর তাগিদ দেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ২০১০ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে জিডিপি দ্বিগুণ করে বাংলাদেশ একটি চিত্তাকর্ষক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশের জিডিপির পরিমাণ ছিল ১০২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১৬ সালে বেড়ে ২২১.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাড়িয়েছে’। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেও এ ধরনের জিডিপি প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসএমইখাতের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের যেসব দেশ দ্রুত ভ্যালু চেইনের উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হয়েছে, সেগুলোর মাথাপিছু জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্যান্য দেশের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে শতকরা ২ ভাগ বেশি।

উন্নত দেশগুলোর অনুকরণে ভ্যালু চেইনের উন্নয়ন ঘটিয়ে এসএমইখাতে পণ্য বৈচিত্রকরণ ও মূল্য সংযোজনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, সিঙ্গাপুর, তাইপে, চীন, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়া ইতোমধ্যে বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে অন্তর্ভুক্ত হয়ে টেকসই শিল্পায়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির অনন্য নজীর স্থাপন করেছে।

পরে মন্ত্রী ওয়ার্ল্ড অ্যাসোসিয়েশন ফর স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেজ এর সদস্যভুক্ত দেশগুলোর গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিদের সাথে এক সংলাপে অংশ নেন। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্জিত সাম্প্রতিক আর্থসামাজিক অগ্রগতি, পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের উদ্যোগ, সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীসহ অন্যান্য ইস্যুতে বক্তব্য তুলে ধরেন।

বহুমাত্রিক.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

BRTA
Bay Leaf Premium Tea
Intlestore

অর্থনীতি -এর সর্বশেষ

Hairtrade